৪ ফাল্গুন  ১৪২৬  সোমবার ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ 

BREAKING NEWS

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

৪ ফাল্গুন  ১৪২৬  সোমবার ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ 

BREAKING NEWS

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সাড়ে চার বছর আগে একটি জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে পুলিশ কর্মীদের খুনের হুমকি দিয়েছিলেন। এই অভিযোগে শনিবার জেলে পাঠানো হল পাতিদার আন্দোলনের নেতা হার্দিক প্যাটেলকে। আগামী ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত তাঁকে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে আমেদাবাদের একটি আদালত।

গুজরাট পুলিশের অভিযোগ, ২০১৫ সালের ২৫ আগস্ট গুজরাটের আমেদাবাদে আয়োজিত পাতিদারদের একটি জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়েছিলেন কংগ্রেস নেতা হার্দিক প্যাটেল। তাঁদের সম্প্রদায়কে সংরক্ষণ না দেওয়া হলে জনসভায় উপস্থিত জনতাকে তীব্র আন্দোলন করার পরামর্শ দিয়েছিলেন। বলেছিলেন, ‘সংরক্ষণের জন্য আন্দোলন করতে গিয়ে ব্যর্থ হলে হতাশ হয়ে আত্মহত্যা করবেন না। তার চেয়ে পুলিশ কর্মীদের খুন করা অনেক ভাল। ‘

[আরও পড়ুন: ‘টিকিট দিতে ১০ কোটি টাকা চাইছেন কেজরিওয়াল’, চাঞ্চল্যকর অভিযোগ বিধায়কের ]

 

হার্দিক প্যাটেলের এই উসকানিমূলক মন্তব্যের কথা জানাজানি হতেই স্থানীয় থানায় তাঁর বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতা (sedition)-র মামলা দায়ের হয়। তার ভিত্তিতে তদন্তে নেমে আমেদাবাদের একটি আদালতে চার্জশিট জমা দেয় গুজরাট পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ। সম্প্রতি সেই মামলার শুনানিতে গরহাজির ছিলেন হার্দিক প্যাটেল। তাই তাঁর নামে জামিনঅযোগ্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালতের বিচারক। এরপর শনিবার আমেদাবাদের ভিরামগাম এলাকার কাছাকাছি অঞ্চল থেকে পাতিদার আন্দোলনের নেতাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আদালতে তোলা হলে তাঁকে আগামী ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন বিচারক।

[আরও পড়ুন: ‘বন্দে মাতরম না বললে ভারতে থাকার দরকার নেই’, হুঁশিয়ারি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর ]

 

এদিকে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যে বলে দাবি করেছেন হার্দিক। তাঁর কথায়, ‘পুলিশ আমার নামে সরকারের বিরুদ্ধে মানুষকে ক্ষেপানোর চেষ্টা ও ষড়যন্ত্র করার অভিযোগ এনেছে। আমি নাকি পুলিশ কর্মীদের খুনের হুমকি দিয়েছি। আমাদের কর্মী-সমর্থকদের এই বিষয়ে উসকে দেওয়ার চেষ্টা করেছি। এগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যে। পুলিশের কাছে কোনও প্রমাণ নেই। রাজনৈতিক কারণে আমাকে জেলে পাঠানো হচ্ছে।’

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং