Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শিক্ষকের নির্দেশে রাস্তা মেরামতির কাজে পড়ুয়ারা, বিতর্কে সরকারি স্কুল

আদেশ অমান্য করলেই মারধর করা হবে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৮, ২০১৮, ১৩:৩১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৮, ২০১৮, ১৩:৩১

options
link
শিক্ষকের নির্দেশে রাস্তা মেরামতির কাজে পড়ুয়ারা, বিতর্কে সরকারি স্কুল zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: স্কুলের ইউনিফর্ম গায়ে চাপিয়ে স্কুলেরই বাইরের রাস্তা সারাইয়ের কাজ করছে খুদে ছাত্ররা। নেহাতই স্বদিচ্ছায়? নাকি শিক্ষক-শিক্ষিকাদের ফাঁকি দিয়ে মজার ছলে? কোনওটাই না। স্কুলের তরফেই ছাত্রদের রাস্তা মেরামতির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্দেশ অমান্য করলেই কঠোর শাস্তির মুখে পড়তে হবে তাদের। এমন ঘটনায় তাজ্জব সকলেই।

[মেরিনা বিচেই সমাহিত করা হবে করুণানিধির দেহ, জানাল মাদ্রাজ হাই কোর্ট]

ঘটনা হরিয়ানার মহেন্দ্রগড়ের এক সরকারি স্কুলের। বিদ্যালয়ের বাইরের রাস্তার হাল বেহাল। খানাখন্দ ভরতে কাজে হাত লাগাতে বলা হয়েছে স্কুলেরই কচিকাঁচাদের। বিশেষ করে ছাত্রদের কড়া ভাষায় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, মন দিয়ে এ কাজ না করলেই মারধর দেওয়া হবে। সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে স্কুলের এক ছাত্র বলে, “রাস্তা মেরামতির কাজ না করতে চাইলে আমাদের মারধর করা হয়।” বেশ কয়েকদিন ধরেই নাকি এমন ঘটনা চলছিল। অবশেষে মঙ্গলবার স্কুলের কীর্তির খবর পৌঁছে যায় শিক্ষা আধিকারিক রাজবালার কাছে। গোটা ঘটনায় হতবাক তিনি। বলেন, “স্কুলের ছাত্রদের দিয়ে কী কাজ করানো হচ্ছে, সে খবর পেয়েছি। অভিযোগ সত্যি প্রমাণিত হলে এর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে।” গোটা ঘটনার নিন্দা করে তিনি বলেন, বিদ্যালয়ে ছাত্রছাত্রীরা লেখাপড়া শিখতে যায়। সেখানে এ ধরনের কাণ্ডকারখানা অত্যন্ত লজ্জাজনক। শিক্ষকদের দায়িত্বজ্ঞানহীনতার সমালোচনাও করেন তিনি। ইতিমধ্যেই শিক্ষা দপ্তরের উচ্চ পর্যায়েও খবর পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। তারাও বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছে।

Advertisement

[গোটা গ্রামজুড়ে বাস একটি পরিবারেরই, হতবাক এনআরসি পর্যবেক্ষকও]

তবে এই প্রথম নয়। এর আগেও বিতর্কে উঠে এসেছিল হরিয়ানার এক স্কুল। কয়েক মাস আগেই স্কুলের পড়ুয়াদের একটি ফর্ম ভরতে দেওয়া হয়েছিল। যেখানে তাদের জাতি, ধর্মের পাশাপাশি আধার কার্ড নম্বর এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্টের বিস্তারিত তথ্যও চাওয়া হয়েছিল। ঠিক কোন উদ্দেশ্যে এমন ফর্ম ভরতে দেওয়া হয়েছিল, তা নিয়ে উঠেছিল প্রশ্ন।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.