Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Haryana

১৫ দিনে ১২ জনের মৃত্যু হরিয়ানায়! পানীয় জলকেই দুষছেন গ্রামবাসীরা, দিশেহারা স্বাস্থ্যবিভাগ

পরিস্থিতি সামাল দিতে গ্রামে ক্যাম্প খোলা হয়েছে স্বাস্থ্যবিভাগের তরফে। মৃত্যুর কারণ এখনও অজানা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬, ১৬:১৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬, ১৬:১৪

options
link
১৫ দিনে ১২ জনের মৃত্যু হরিয়ানায়! পানীয় জলকেই দুষছেন গ্রামবাসীরা, দিশেহারা স্বাস্থ্যবিভাগ zoom
হাসপাতালে অসুস্থের ভিড়। ফাইল ছবি

ভোপালের ছায়া এবার হরিয়ানায়! অজ্ঞাত কারণে পরপর মৃত্যু গ্রামবাসীদের। রিপোর্ট বলছে, গত ১৫ দিনে হরিয়ানার পালওয়াল জেলার ছায়ানসা গ্রামে ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। যাদের মধ্যে ৫ জন স্কুল পড়ুয়া। মৃতদের অসুস্থতার লক্ষ্মণ প্রায় একই। এই ঘটনায় আতঙ্কিত গোটা গ্রাম। পরিস্থিতি সামাল দিতে গ্রামে ক্যাম্প খোলা হয়েছে স্বাস্থ্যবিভাগের তরফে। মৃত্যুর কারণ এখনও অজানা। তবে গ্রামবাসীদের অনুমান বিষাক্ত পানীয় জলের কারণেই ঘটছে মৃত্যুর ঘটনা।

গ্রামবাসীদের দাবি অনুযায়ী, ১৫ দিন আগে গ্রামে অসুস্থ হয়ে মৃত্যু হয়েছিল ৩ জনের। তারপর থেকে লাগাতার মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে। প্রতিটি বাড়িতে রোগীর ভিড়। অনেকেরই অবস্থা আশঙ্কাজনক। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে গ্রামে এসেছে স্বাস্থ্য বিভাগের দল। গ্রাম জুড়ে রোগীদের পরীক্ষা-নিরীক্ষার পাশাপাশি রক্তের নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে। বেশিরভাগ রোগীরই লক্ষণ জ্বর, কাশি, শরীরে ব্যথা এবং বমি। মৃতদের ক্ষেত্রেও রোগের লক্ষ্মণ একই ছিল। গ্রামবাসীরা জানিয়েছেন, স্বাস্থ্য বিভাগের দলটি চারজনের মৃত্যুর কারণ হিসেবে হেপাটাইটিস বি এবং সি দায়ী করছে। যেখানে তিনটি ক্ষেত্রে রোগীর একাধিক অঙ্গ কাজ করা বন্ধ করে দেয় এবং লিভারের সংক্রমণের কারণে মৃত্যু হয়েছে। গ্রামে ক্রমাগত মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনও প্রকাশ করা হয়নি।

Advertisement

১০৭টি জায়গা থেকে জলের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৩টি ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে জল পানের অযোগ্য। জলে ক্ষতিকারক ব্যক্টেরিয়া মিলেছে। ক্লোরিনের ঘাটতিও রয়েছে জলে।

পালওয়ালের এই গ্রামে বেশিরভাগই মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ। গ্রামের জনসংখ্যা প্রায় ৫০০০। গ্রামবাসীদের আশঙ্কা বিষাক্ত পানীয় জল থেকেই এই ধরনের ঘটনা ঘটছে। গ্রামে সাধারণত তিনটি উৎস থেকে জল সরবরাহ করা হয়। গ্রামের কিছু বাড়িতে সরকারি জল সরবরাহ হয়, রয়েছে ভূগর্ভস্থ ট্যাঙ্ক এবং কিছু জায়গায় জলের ট্যাঙ্ক থেকে জল সরবরাহ হয়। মনে করা হচ্ছে, এরই কোনও একটি উৎস থেকে এই অজ্ঞাত মৃত্যু।

স্বাস্থ্য বিভাগের তরফে জানানো হয়েছে, গ্রামের মানুষের অন্তর ৩০০ জনের রক্তের নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। যার মধ্যে ২ জনের হেপাটাইটিস বি ও সি ধরা পড়েছে। ১০৭টি জায়গা থেকে জলের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৩টি ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে জল পানের অযোগ্য। জলে ক্ষতিকারক ব্যক্টেরিয়া মিলেছে। ক্লোরিনের ঘাটতিও রয়েছে জলে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.