BREAKING NEWS

৯ আশ্বিন  ১৪২৭  রবিবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

লকডাউনে মদের দোকান খোলার আরজি, রাজ ঠাকরেকে কটাক্ষ শিব সেনার

Published by: Sucheta Chakrabarty |    Posted: April 25, 2020 3:34 pm|    Updated: April 25, 2020 3:34 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লকডাউনের মাঝেও মহারাষ্ট্রে মদের দোকান খোলার আরজি জানিয়েছেন এমএনএস প্রধান রাজ ঠাকরে। রাজস্ব বৃদ্ধির জন্য এই আরজি জানিয়েছিলেন তিনি। তাই এবার সরাসরি শিব সেনার তোপের মুখে পড়তে হল তাঁকে। মুখপত্র সামনায় রাজ ঠাকরেকে একহাত নিয়ে শিব সেনা বলে, ওনার ধারণা, মদ জিনিসটা ভাতের মতোই প্রয়োজনীয়।

দেশ জোড়া লকডাউনে সবথেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত মহারাষ্ট্র। একদিকে যেমন অর্থনীতির বেহাল দশা এই বাণিজ্য নগরীতে তেমনই পরিযায়ী শ্রমিকদের চিন্তা ভাঁজ ফেলেছে মহারাষ্ট্র সরকারের কপালে। এমন করুণ পরিস্থিতিতে যেখানে ভাবাচ্ছে দেশের তাবড় অর্থনীতিবিদদের সেখানে মদের দোকান খোলা আবশ্যিক বলে দাবি জানান এমএনএস প্রধান রাজ ঠাকরে। বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রীর অফিসে চিঠি দেন রাজ ঠাকরে। তিনি বলেন, “আমি মদ্যপদের কথা ভেবে মদের দোকান খোলার কথা বলছি না। এই কঠিন সময়ে যাতে সরকার কিছু রাজস্ব পায় সেজন্যই এই প্রস্তাব দিচ্ছি।” একইসঙ্গে রাজ ঠাকরে হোটেলগুলি খোলার ও যাঁরা রান্না করা খাবার বিক্রি করেন, তাঁদের কাজ করার অনুমতি চান। কারণ বহু মানুষ এই দু’টি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। তার এই মন্তব্যের পরই শনিবার তাঁকে এ নিয়ে কটাক্ষ করে শিব সেনা জানায়, রাজ ঠাকরের ধারণা, মদও ভাতের মতোই প্রয়োজনীয়। তিনি সত্যিই রাজ্যের রাজস্ব বাড়াতে আগ্রহী কিনা, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে উদ্ধব ঠাকরের দল। শিব সেনা বলেছে, রাজ ঠাকরের জানা উচিত, লকডাউনের সময় কেবল মদের দোকানগুলি বন্ধ নেই। মদের কারখানাগুলিও বন্ধ রাখা হয়েছে। শনিবার শিব সেনা তার মুখপত্র সামনা-তে লেখে, শুধু মদের দোকান খুললেই রাজস্ব আসে না। কোনও ডিস্ট্রিবিউটরকে কারখানা থেকে মদ কিনে তা বেচতে হয়। তখন সরকার তাঁর থেকে আবগারি শুল্ক ও বিক্রয় কর পায়। মদের কারখানা খুলতে হলেও শ্রমিকদের প্রয়োজন হয়। তাছাড়া মদের দোকান খোলা হলে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা যাবে না। ফলে মহারাষ্ট্র পরিস্থিতি আরও দুর্বিসহ হয়ে উঠবে।

[আরও পড়ুন:রমজান উপলক্ষে হাসপাতালে বিশেষ আয়োজন, মুসলিম কোভিড রোগীদের মেনুতে বিরিয়ানি]

শিব সেনা রাজ ঠাকরেকে বিদ্রুপ করে বলে, এমএনএস প্রধান একইসঙ্গে খাবার দোকান ও মদের দোকান খোলার কথা বলেছেন। তিনি বোঝাতে চাইছেন, অ্যালকোহলও খাবারের মতোই অত্যাবশ্যকীয় পণ্য। মুম্বই ও পুনেতে ক্রমেই বাড়ছে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। মহারাষ্ট্রের মধ্যে কেবলমাত্র মুম্বইতেই আক্রান্ত হয়েছেন ৪ হাজারেরও বেশি মানুষ, যা গোটা মহারাষ্ট্রের আক্রান্তের ৬৫ শতাংশ।

[আরও পড়ুন:আটকে পড়া বাসিন্দাদের ঘরে ফেরাতে বিশেষ উদ্যোগ অসম সরকারের]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement