১৩ মাঘ  ১৪২৬  সোমবার ২৭ জানুয়ারি ২০২০ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কয়েকদিন আগে বর্তমান ভারতকে বিশ্বের ধর্ষণের রাজধানী বলে মন্তব্য করেছিলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। যা নিয়ে বিতর্ক দেখে দিয়েছিল দেশজুড়ে। বিজেপির তরফে থেকে তীব্র আক্রমণ করা হয়েছিল। সেই বিতর্কের রেশ কাটতে না কাটতেই মঙ্গলবার লোকসভায় দাঁড়িয়ে আরও একটি বিতর্কিত মন্তব্য করলেন বহরমপুরের কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরি। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর ফের বিতর্ক দানা বেঁধেছে।

[আরও পড়ুন: বিতর্কের জের, বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগ থেকে ইস্তফা মুসলিম অধ্যাপকের]

আজ লোকসভায় বক্তব্য রাখতে উঠে দেশে ক্রমাগত ঘটে চলা নারী নির্যাতন ও ধর্ষণের কথা উল্লেখ করেন বিরোধী দলনেতা অধীরবাবু। এই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে মন্তব্য করতে হবে বলে দাবি তোলেন। বলেন,
প্রধানমন্ত্রী যিনি সব বিষয়ে কথা বলেন অদ্ভুতভাবে নারীদের উপর নির্যাতনের ঘটনায় চুপ রয়েছে। এটা খুবই দুভার্গ্যের বিষয়। আস্তে আস্তে ভারত মেক ইন ইন্ডিয়ার জায়গায় রেপ ইন ইন্ডিয়ার দিকে এগিয়ে চলেছে। ২০১৬ সালে ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরোর প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতে একবছরে ৩৮,৯৪৭টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। অর্থাৎ প্রতিদিন গড়ে ১০৬.৭টি ধর্ষণ হয়েছে দেশের বিভিন্ন জায়গায়। যা অত্যন্ত দুঃখজনক।’

গত সাত ডিসেম্বর কেরলের ওয়ানড়ে জনসভা করতে গিয়েছিলেন রাহুল গান্ধী। সেখানে গিয়ে তিনি বলেন, ‘বিশ্বের কাছে এখন ভারতের পরিচয় ধর্ষণের রাজধানী হিসেবে। বিদেশিরা প্রশ্ন তুলছেন, কেন ভারত নিজের মেয়ে ও বোনেদের নিরাপত্তা দিতে পারে না। উত্তরপ্রদেশের একজন বিজেপি বিধায়ক ধর্ষণে অভিযুক্ত। কিন্তু, এই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী এখনও একটা শব্দও বললেন না। আসলে আমরা এমন একজন প্রধানমন্ত্রী পেয়েছি যিনি নিজেই ঘৃণা ও হিংসার আদর্শে বিশ্বাসী। তাঁর পুরো রাজনৈতিক জীবনটাই এই আদর্শের উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে। তিনি ধর্মের ভিত্তিতে সম্প্রদায় ও ভাষার মধ্যে বিভাজন এনে সংস্কৃতিকে অপমান করছেন। তিনি অর্থনীতি সম্পর্কেও কিছু বোঝেন না। ফলে আমাদের দেশের মানুষ আতঙ্ক ও অস্বস্তির মধ্যে জীবন কাটাচ্ছেন।’

[আরও পড়ুন: বুধবার রাজ্যসভায় পেশ নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল! আটকে দিতে মরিয়া বিরোধীরা]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং