Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
স্বাস্থ্যমন্ত্রক

সংক্রমণ রোধে এক মাস করোনা ‘হটস্পট’ সিল করার সিদ্ধান্ত স্বাস্থ্য মন্ত্রকের

আইসোলেশনে রাখা হবে এলাকার সন্দেহভাজনদের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৭, ২০২০, ০৭:৫৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৭, ২০২০, ০৭:৫৯

options
link
সংক্রমণ রোধে এক মাস করোনা ‘হটস্পট’ সিল করার সিদ্ধান্ত স্বাস্থ্য মন্ত্রকের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে এবার আক্রমণাত্মক পদক্ষেপ নিতে চলছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক (Health Ministry)। তাই করোনার আঁতুড়ঘরকে সিল করার উদ্যোগ নিল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। গত কয়েকদিন ধরে বেড়েছে সংক্রমণ মাত্রা। তাই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক।

দিনে দিনে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের অভিযোগ,”এভাবে আক্রান্তের মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় নিজামুদ্দিনের ধর্মীয় অনুষ্টানের জমায়েতকেই চিহ্নিত করছেন তারা।” স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দাবি,”এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা দেশে সংক্রমণ ছড়াতে অনুঘটকের কাজ করেছে।” এবার তাই স্বাস্থ্য মন্ত্রক সিদ্ধান্ত নিয়েছে,”এই ধরনের আঁতুড়ঘর একমাস সিল করে রাখা হবে। সেই তালিকায় ঢুকবে এমন এলাকা, যেখান থেকে সংক্রমিতের সংখ্যা বেশি। যতক্ষণ না পর্যন্ত সেই এলাকার সবার রিপোর্ট নেগেটিভ আসবে, ততদিন সিল থাকবে সেই আঁতুড়ঘর। শেষ পজিটিভ রিপোর্ট আর শেষ নেগেটিভ রিপোর্টের মধ্যে এক মাসের তফাৎ হতেই হবে বলে স্বাস্থ্য বিধিতে উল্লেখ করেছে মন্ত্রক। পাশাপাশি সংক্রমিত ও সন্দেহভাজনদেরও আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন করার কথা জানান হয়। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের বিধিতে উল্লেখ করা হয়েছে,”পর্যবেক্ষণে থাকা কিংবা চিকিৎসাধীন রোগীর দু’বার নমুনা পরীক্ষা হবে। দু’বার রিপোর্ট নেগেটিভ আসলে, ছেড়ে দেওয়া হবে সেই রোগীকে। যাদের শরীরে অল্প করোনা উপসর্গ তাঁদের স্টেডিয়ামে আইসোলেটেড করা হবে। যাদের মাঝারি উপসর্গ, তাঁরা থাকবেন হাসপাতালের কোয়ারান্টাইন কেন্দ্রে। আর যাদের মধ্যে করোনার উপসর্গ বেশি তাঁদের করোনার বিশেষ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকবেন।”

Advertisement

[আরও পড়ুন:সুস্থ হওয়ার কয়েক দিন পর ফের করোনা আক্রান্ত দিবালা ও তাঁর বান্ধবী]

এই বিধিতে উল্লেখ করা হয়েছে,”করোনার আঁতুড়ঘর চিহ্নিত এলাকার কোনও স্কুল,কলেজ, অফিস খুলে রাখা যাবে না। চলবে না সরকারি বা বেসরকারি গণপরিবহণ। একমাত্র নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যকে ছাড় দেওয়া হবে। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের সেই বিধিতে আরও বলা হয়েছে, মহামারী এইচ-১,এন-১ ইনফ্লুয়েঞ্জার কিছু লক্ষ্মণ এই ভাইরাসের মধ্যেও দেখা গিয়েছে। জনঘনত্ব বেশি এমন এলাকায় করোনার প্রভাব বেশি। তার মানে এই নয় গোটা দেশেকে সংক্রমিত করবে এই ভাইরাস। এমন দাবি করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক। তাই আঁতুড়ঘরকে নজরবন্দি করে নতুন করে কোমর বাঁধতে চাইছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক বলে সূত্রের খবর।

[আরও পড়ুন:করোনার জেরে অনুপস্থিত আত্মীয়রা, অভিনব উপায়ে বিয়ে সারলেন যুগল]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.