Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
ঘূর্ণিঝড় 'মহা'

ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘মহা’, চরম সতর্কতা সমুদ্র উপকূলে

'মহা' শক্তি খোয়ালেই ভারতে প্রবেশ করবে শীত, বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৩১, ২০১৯, ১৯:৫৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৩১, ২০১৯, ১৯:৫৬

options
link
ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘মহা’, চরম সতর্কতা সমুদ্র উপকূলে zoom
লাক্ষাদ্বীপে আছড়ে পড়েছে মহা

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ঘূর্ণিঝড় কিহার শক্তিক্ষয় করে পশ্চিম-মধ্য আরব সাগরের উপর অবস্থান করছে। আর ঠিক এই সময়ে ভারতের দিকে এগিয়ে আসছে নতুন একটি ঘূর্ণিঝড় ‘মহা’। আগামী ৬ ঘণ্টার মধ্যে উত্তর-পশ্চিম দিকে এগিয়ে তা লাক্ষাদ্বীপে আছড়ে পড়তে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। আর তার পরবর্তী ১২ ঘণ্টায় এই ঘূর্ণিঝড়টি পূর্ব-মধ্য আরব সাগরের উপর অবস্থান করবে। পরে তা আরও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হবে।

[আরও পড়ুন: ‘নতুন ভবিষ্যতের দিকে এগোচ্ছে জম্মু, কাশ্মীর ও লাদাখ’, বলছেন প্রধানমন্ত্রী]

এর ফলে আগামী ২৪ ঘণ্টায় লাক্ষাদ্বীপ, কেরল, তামিলনাড়ুর দক্ষিণ প্রান্ত, অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলবর্তী এলাকা, কর্ণাটক ও তেলেঙ্গানায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে বলে সর্তক করেছে আবহওয়া দপ্তর। তারা জানিয়েছে, এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে পশ্চিম-মধ্য আরব সাগরে হাওয়ার গতিবেগ থাকবে ঘণ্টায় ১০০ থেকে ১১০ কিলোমিটার। উত্তর লাক্ষাদ্বীপে ঘণ্টাপিছু ১২০ কিলোমিটার এবং দক্ষিণ-পূর্ব ও পূর্ব-মধ্য আরব সাগরে হাওয়ার গতিবেগ ঘণ্টায় ৭৫ কিলোমিটার থাকবে। এর ফলে ওই এলাকার সমুদ্র অতিরিক্ত উত্তাল হয়ে ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে। এই কারণে মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে মাছ ধরতে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।

Advertisement

[আরও পড়ুন:মহারাষ্ট্রে সরকার গঠনে জটিলতা অব্যাহত, রাজভবনে যাচ্ছে শিব সেনা]

ইতিমধ্যেই একটি বেসরকারি সংস্থার দেওয়া পূর্বাভাসকে সত্যি করে লাক্ষাদ্বীপের আমিনি দিভি এলাকায় রেকর্ড পরিমাণ ৩০১ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। মিনিকয় দ্বীপে হয়েছে ১১৯ মিলিমিটার। এর ফলে ওই এলাকায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আরও জানানো হয়েছে যে বৃহস্পতিবার সন্ধে থেকে ভারী ও অতিভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে লাক্ষাদ্বীপে। প্রবল বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে কর্ণাটক, কেরল উপকূল, তামিলনাড়ু এবং অন্ধ্রের রায়ালসীমা এলাকায়। শুক্রবার দক্ষিণ ভারতের উপকূলের দিক থেকে এই ঘূর্ণিঝড় দূরে সরে যাবে। এর ফলে বৃষ্টিপাতের পরিমাণও কমবে। গত দু’মাসে সৃষ্টি হওয়া চারটি ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ভারতের আবহাওয়ায় প্রচুর পরিবর্তন দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি কিহার ও এখন মহা ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ভারতের পশ্চিম দিক থেকে প্রবেশ করতে পারছে না ঠান্ডা বাতাস। ফলে শীত আসতেও দেরি হচ্ছে।

সবরকম পরিস্থিতির জন্য নৌসেনার আধিকারিকরা প্রস্তুত আছেন বলে জানান হয়েছে সরকারের তরফে। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি জাহাজকে পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য তৈরি থাকার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.