সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিজেপি (BJP) ক্ষমতায় থাকাকালীন আরও দরিদ্র হয়েছেন হিন্দুরা, এমনই দাবি করলেন জম্মু কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি (Mehbooba Mufti)। তাঁর মতে, কাশ্মীরকে আসলে গবেষণাগার বানিয়ে তুলেছে বিজেপি। হিন্দুদের নিয়ে নানা পরীক্ষানিরীক্ষা চালাচ্ছে গেরুয়া শিবির। তার ফলেই ক্রমশ দারিদ্র্যসীমার নীচে নেমে যাচ্ছেন হিন্দুরা।
মুফতি বলেন, “ইউপিএ জমানায় ২৬ কোটি মানুষ দারিদ্র্যসীমার উপরে উঠে এসেছিলেন। কিন্তু বিজেপির সময়ে তাঁদের অবস্থা খারাপ হয়ে আবারও দারিদ্র্যসীমার নীচে নেমে গিয়েছে। তাঁদের সকলেই কি মুসলিম? মোটেই না। বিপুল সংখ্যক হিন্দুর আর্থিক অবস্থার অবনতি হয়েছে। আসলে গোটা দেশটাই বিক্রি করে দিয়েছে বিজেপি। ব্যাংক, রেল, বিমান পরিষেবা- সবকিছুই বেসরকারি সংস্থার হাতে।”
[আরও পড়ুন: Exclusive: ‘প্রতীচী’র বিতর্কিত জমির মিউটেশন নিয়ে টানাপোড়েনের মাঝে হাতে লিজের নথি]
কাশ্মীরের (Kashmir) অবস্থা নিয়ে ছেলেখেলা করছে বিজেপি, এমনটাই মত মুফতির। তাঁর মতে, “জম্মু কাশ্মীর আসলে গবেষণাগার। শুধুমাত্র পরীক্ষা করার জন্যই এই জায়গাটিকে ব্যবহার করে বিজেপি। কাশ্মীরে এই পরীক্ষা সফল হলেই সেটা সারা দেশে কার্যকরী করা হয়। আসলে বিজেপি দেখায় ওরা মুসলিম বিরোধী কাজ করছে। কিন্তু ফল ভুগতে হয় হিন্দুদেরও।”
কাশ্মীরে একাধিক বেআইনি নির্মাণ ভেঙে ফেলার কাজ চালাচ্ছে স্থানীয় প্রশাসন। সেই প্রসঙ্গ টেনে মুফতি বলেন, “এহেন কাজে শুধু মুসলিম নয়, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন হিন্দুরাও। ৮০ কোটি মানুষকে এতটাই দরিদ্র করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার, যে চাল কেনারও পয়সা নেই তাঁদের কাছে। এই তালিকায় মুসলিমদের পাশাপাশি সমান সংখ্যায় রয়েছেন হিন্দুরাও। কাশ্মীরের মানুষের কাছে আমার আবেদন, এই ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান।”
[আরও পড়ুন: ‘শিলিগুড়ির বিধবাকে রক্ষিতা বানিয়ে ফুর্তি’, সৌমিত্রর চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন তুললেন সুজাতা]
সর্বশেষ খবর
-
‘অস্কার ব্রুজো জিন্দাবাদ’, ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তন কোচের ‘মাস্টার’ মন্তব্যে পালটা শীর্ষকর্তা দেবব্রতের
-
ফোনের কভারে তেজপাতা, কোন বিশ্বাসে ভাইরাল ট্রেন্ডে গা ভাসাচ্ছেন নেটিজেনরা?
-
প্রতিরক্ষা গবেষণায় এবার লগ্নি বাংলায়! কোথায় হবে ডিআরডিও প্রকল্প? বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর
-
‘ওরা কে?’ জি৭ শুনেই ‘নাক সিঁটকালেন’ পুতিন! দিল্লি থেকে পশ্চিমি দুনিয়াকে বেনজির আক্রমণ
-
১৮ মাসের আগেই মৌনব্রত ভেঙে ‘প্রলয়’ রণবীর সিংয়ের, বড় খবর দিলেন ‘ধুরন্ধর’