Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৯ জুন ২০২৬
Sajjad Nomani

‘ভারতে হিন্দুরাই সংখ্যালঘু’, বিস্ফোরক দাবি মৌলবীর, দিলেন হিসাবও

নোমানি সার্বিকভাবে হিন্দুদের 'ধর্মনিরপেক্ষ' হিন্দু এবং 'ফ্যাসিস্ট' হিন্দু হিসাবে চিহ্নিত করেছেন। সার্বিকভাবে মুসলিম ল'বোর্ডের প্রধান যা যা দাবি করেছেন, সেগুলি রীতিমতো বিস্ফোরক।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৯, ২০২৬, ১৫:৪৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৯, ২০২৬, ১৫:৪৬

options
link
‘ভারতে হিন্দুরাই সংখ্যালঘু’, বিস্ফোরক দাবি মৌলবীর, দিলেন হিসাবও zoom
মুসলিম ধর্মগুরু। ফাইল ছবি।

ভারতের জনবিন্যাস বদল নিয়ে উদ্বেগপ্রকাশ করতে দেখা গিয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ প্রায় প্রতিদিনই জনবিন্যাস নিয়ে উদ্বেগপ্রকাশ করছেন। বস্তুত দেশে মুসলিম জনসংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ে হিন্দুত্ববাদীদের উদ্বেগ নতুন নয়। সেই উদ্বেগের মাত্রাটা আরও খানিকটা বাড়িয়ে দিলেন মুসলিম ধর্মগুরু মৌলানা সাজ্জাদ নোমানি।

মৌলানা সাজ্জাদ নোমানি (Maulana Sajjad Nomani) অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল’ বোর্ডের সদস্য। তাঁর দাবি, প্রায় ৩০ বছর দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ঘোরার পর তিনি নিশ্চিত হয়ে গিয়েছেন হিন্দুরা আর ভারতের সংখ্যাগুরু জনসংখ্যা বলে নিজেদের দাবি করতে পারেন না। হিন্দুদের মধ্যে এত গোষ্ঠী, এত সম্প্রদায়-সব সম্প্রদায়কে আলাদা করে দেখলে মুসলিমদের জনসংখ্যাই হিন্দুদের চেয়ে বেশি হবে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

মৌলানা সাজ্জাদ নোমানির দাবি, “আমি পবিত্র কাবা শরিফের হাজির-এ-আসওয়াদে হাত রেখে বলতে পারি, এ দেশে হিন্দুরা সংখ্যাগুরু নয়। কোনও অবস্থাতেই হিন্দুদের সংখ্যাগুরু বলা যাবে না।” ওই ধর্মগুরুর যুক্তি, শিখ বা বৌদ্ধদের অনেকে হিন্দুদের অংশ হিসাবে দেখেন। কিন্তু তাঁরা হিন্দু নন। তামিলদের হিন্দু বলা যায় না। লিঙ্গায়েতদেরও হিন্দু বলা যাবে না। জাটদের একটা বড় অংশ নিজেদের হিন্দু হিসাবে দেখে না। এমনকী তফসিলি জাতি ও উপজাতির একটা বড় অংশও হিন্দু নন।

এখানেই শেষ নয়, নোমানি সার্বিকভাবে হিন্দুদের ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ হিন্দু এবং ‘ফ্যাসিস্ট’ হিন্দু হিসাবে চিহ্নিত করেছেন। ওই ধর্মগুরুর কথায়, “আমরা ভাবতাম সেকুলার হিন্দুরা ক্ষতিকর নয়। কিন্তু মুসলিমদের জন্য দুই গোষ্ঠীর হিন্দুই ক্ষতিকর। কারণ যাঁদের আমরা ভরসা করতাম সেই সেকুলার হিন্দুরাও দেশটাকে তুলে দিয়েছে ফ্যাসিস্ট হিন্দুদের হাতে।” সার্বিকভাবে মুসলিম ল’বোর্ডের প্রধান যা যা দাবি করেছেন, সেগুলি রীতিমতো বিস্ফোরক।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.