৩১ ভাদ্র  ১৪২৬  বুধবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অতিরিক্ত গরমে ত্রাহি ত্রাহি রব উঠেছে চারিদিকে। তার মাঝেই দেশের বিভিন্ন এলাকায় আকাল দেখা দিয়েছে পরিশ্রুত পানীয় জলের। বাধ্য হয়ে বোতলবন্দি জলেই কাজ মেটাচ্ছেন বিত্তশালীরা! কিন্তু, যাদের সেই সামর্থ্য নেই তারা কী করছেন? মহারাষ্ট্রের লাতুর জেলার গ্রামগুলিতে তাও ১৫ দিন অন্তর প্রশাসনের জলের গাড়ি গিয়ে সমস্যা মেটানোর চেষ্টা করছে। কিন্তু, সেই ভাগ্য হয়নি গুজরাটের নাভসারি গ্রামের বাসিন্দাদের। তাই বাধ্য হয়ে নোংরা ও অপরিশ্রুত এমনকী কেউ কেউ নর্দমার জল খাচ্ছেন বলেও অভিযোগ উঠছে।

[আরও পড়ুন- মোদির ধ্যানগুহায় ছিল সিসিটিভি-শৌচালয়,বাইরে পাহারায় এসপিজি]

এপ্রসঙ্গে ওই গ্রামের সরপঞ্চ দেবজিভাই দেশমুখ বলেন, “জলের সমস্যা নিয়ে বারবার সরকারি আধিকারিকদের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে। কিন্তু, তারপরেও কোনও সমাধান হয়নি। ফলে গ্রামবাসীদের সমস্যা ক্রমশ বাড়ছে। পুরো বিষয়টি আমার কাছে খুবই দুঃখজনক। আমাদের গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত ১২টি মৌজার প্রায় সব বাসিন্দাই জলের সমস্যায় জর্জরিত। এখান থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূরে গিয়ে পরিশ্রুত জল আনতে হচ্ছে। তাই বাধ্য হয়ে মাটি খুঁড়ে জল বের করার চেষ্টা করছে সবাই।”

[আরও পড়ুন- অন্তিম দফা লোকসভা নির্বাচনে ভোট দিলেন পাটনার বিহারীবাবু]

স্থানীয় বানসদা বিধানসভার কংগ্রেস বিধায়ক অনন্ত প্যাটেল অভিযোগ করেন, “অতিরিক্ত গরমের ফলে গোটা গ্রামজুড়ে প্রচণ্ড জলকষ্ট দেখা দিয়েছে। এর ফলে সবচেয়ে সমস্যায় পড়েছেন ওখানে বসবাসকারী আদিবাসী ও গরিব মানুষরা। আমি বারবার বিধানসভায় এই সমস্যা নিয়ে আওয়াজ তুললেও সরকারের পক্ষ থেকে কোনও সাহায্য করা হয়নি। বাধ্য হয়ে মাটি খুঁডে জল বের করার চেষ্টা করছেন গ্রামবাসীরা। যার ফলে বেশিরভাগ সময়ই নোংরা জল খেতে হচ্ছে তাঁদের। অনেক সময় ওই জলে মিশছে নর্দমার জলও।”

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং