Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
NEET Corruption

নিট-এ বিরাট দুর্নীতি, কোটি কোটি টাকায় বিক্রি আর্থিকভাবে দুর্বলদের জন্য সংরক্ষিত আসন!

একটি অনলাইন এডুকেশন গাইডেন্স প্ল্যাটফর্ম দাবি করেছে যে, ডিমড বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে প্রায় ১৪৫টি আর্থিকভাবে দুর্বল শ্রেণির-তালিকাভুক্ত আসন কোটি কোটি টাকা ফি দিয়ে প্রার্থীরা কিনেছেন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৬, ১৬:৫৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৬, ১৬:৫৩

options
link
নিট-এ বিরাট দুর্নীতি, কোটি কোটি টাকায় বিক্রি আর্থিকভাবে দুর্বলদের জন্য সংরক্ষিত আসন! zoom
প্রতীকী ছবি।
Advertisement

সম্প্রতি শুরু হয়েছে নিট-স্নাতকোত্তর ডাক্তারি পড়ুয়াদের কাউন্সেলিং। সেখানেই উঠছে দুর্নীতির অভিযোগ। তা নিয়ে নানা মহলেই গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষত, আর্থিকভাবে দুর্বল শ্রেণির (ইডব্লুএস) জন্য সংরক্ষিত আসনের ক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে নিয়ম লঙ্ঘন ও অপব্যবহারের অভিযোগ সামনে আসছে। যা নিয়ে দেশজুড়ে তৈরি হয়েছে চাঞ্চল্য। অভিযোগ ঠিক কী? জানা গিয়েছে, আর্থিকভাবে দুর্বল শ্রেণির অধীনে তালিকাভুক্ত কিছু প্রার্থী পরবর্তীতে বেসরকারি এবং ডিমড বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তর আসন নিশ্চিত করার জন্য বিপুল অঙ্কের ফি দিয়েছেন। ফলে সংরক্ষণ ব্যবস্থাটি নিয়েই প্রশ্ন উঠে গিয়েছে।

একটি অনলাইন এডুকেশন গাইডেন্স প্ল্যাটফর্ম দাবি করেছে যে, ডিমড বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে প্রায় ১৪৫টি আর্থিকভাবে দুর্বল শ্রেণির-তালিকাভুক্ত আসন কোটি কোটি টাকা ফি দিয়ে প্রার্থীরা কিনেছেন। যার মধ্যে একজন প্রার্থী এমডি কোর্সে আসনের জন্য ৪.২৩ কোটি টাকা দিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে। রিপোর্টে কয়েকটি ক্লিনিকাল স্পেশালিটি এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে এই ধরনের ভর্তি রেকর্ড করা হয়েছিল।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

প্রসঙ্গত, অর্থনৈতিকভাবে দুর্বলদের বিভাগটি এসসি/এসটি/ওবিসি কোটার আওতায় না থাকা আর্থিকভাবে সুবিধাবঞ্চিত ব্যক্তিদের সংরক্ষণের জন্য তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু তদন্তে উঠে এসেছে, ইডব্লুএস কোটায় ভর্তি হয়ে বহু পড়ুয়া পরে কোটি টাকারও বেশি ম্যানেজমেন্ট বা এনআরআই ফি দিয়েছেন। এঁরা কীভাবে ইডব্লুএস সার্টিফিকেট পেলেন, রাজ্য বা কেন্দ্রীয় স্তরে কাউন্সেলিংয়ে ওই সার্টিফিকেট দেখিয়ে বিশেষ সুবিধা মিলেছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। যাঁরা সত্যিই ইডব্লুএস ক্যাটাগরির, তাঁদের অভিযোগ, এই দুর্নীতির ফলে তাঁরা বঞ্চিত হয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.