Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
West Bengal government

আঠারোর নিচে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে তা সামলাবেন কী করে? নতুন এসওপি তৈরির পথে রাজ্য

স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ের নির্দেশে তৈরি হচ্ছে এসওপি। কিশোরী প্রসূতিদের গর্ভাবস্থা, প্রসব ও প্রসব-পরবর্তী পর্যায়ে কী ভাবে চিকিৎসা ও নজরদারি হবে? তার রূপরেখা তৈরি করতে ৯ সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গড়া হয়েছে।

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬, ১৭:৪২

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬, ১৭:৪২

options
link
আঠারোর নিচে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে তা সামলাবেন কী করে? নতুন এসওপি তৈরির পথে রাজ্য zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

আঠারোর আগে বিবাহ এবং কৈশোরে সন্তান প্রসবের ঘটনা নিয়ে উদ্বিগ্ন রাজ্য সরকার। এই বয়সের আগে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে তাদের চিকিৎসা হবে কোন পথে? তা নিয়ে পৃথক স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর বা ‘এসওপি’ গড়তে চলেছে রাজ্য সরকার। তার জন্য তৈরি হয়েছে নয় সদস্যের কমিটি।

সম্প্রতি স্বাস্থ্যভবনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. শারদ্বত মুখোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, আঠারোর আগে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ার ঘটনা পশ্চিমবঙ্গে অত্যন্ত বেশি। পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি প্রত্যন্ত এলাকার বাসিন্দাদের বলব, নাবালিকাকে বিয়ে দেবেন না। আঠারোর আগে গর্ভবতী হয়ে পড়লে সেই নাবালিকার গর্ভবতী অবস্থায় মারা যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। নাবালিকাকে যিনি বিয়ে করছেন তিনিও আইনের চোখে অপরাধী।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এরপরই স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ের নির্দেশে তৈরি হচ্ছে এসওপি। কিশোরী প্রসূতিদের গর্ভাবস্থা, প্রসব ও প্রসব-পরবর্তী পর্যায়ে কী ভাবে চিকিৎসা ও নজরদারি হবে? তার রূপরেখা তৈরি করতে ৯ সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গড়া হয়েছে। ওই বিশেষজ্ঞ কমিটিতে রয়েছেন কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের কমিউনিটি মেডিসিন বিভাগের প্রধান চিকিৎসক দেবাশিস দাসের পাশাপাশি পাঁচ জন প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ (উলুবেড়িয়া মেডিক্যাল কলেজের সঞ্জয় ভট্টাচার্য, এনআরএসের সৌরভ চট্টোপাধ্যায়, রায়গঞ্জ মেডিক্যালের তুলিকা ঝা, রামপুরহাট মেডিক্যালের শেলি শেঠ ও অ্যাপোলো হাসপাতালের ভাস্কর পাল) এবং তিন জন সরকারি স্বাস্থ্যকর্তা (মাতৃস্বাস্থ্য বিষয়ক উপ-স্বাস্থ্য অধিকর্তা শ্যামলী রুদ্র, পরিবার পরিকল্পনার দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক শাশ্বতী নাগ ও পূর্ব মেদিনীপুরের জনস্বাস্থ্য তথা নার্সিং আধিকারিক সীমা মাইতি)।

আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর স্বাস্থ্যভবনে কমিটির প্রথম বৈঠক রয়েছে। উল্লেখ্য, নাবালিকা বিবাহ ও ১৮ বছরের কমে মাতৃত্বের নজিরে দেশে পয়লা নম্বরে বাংলা। তাই সংশোধনমূলক পদক্ষেপের অঙ্গ হিসাবেই এই পদক্ষেপ বলে দাবি প্রশাসনিক মহলের। স্বাস্থ্যকর্তাদের বক্তব্য, ১৯ বছর বয়স পর্যন্ত গর্ভবতী মহিলাদের কিশোরী প্রসূতি হিসাবে বিবেচনা করা হয়। কম বয়সে গর্ভধারণে প্রসূতির শারীরিক জটিলতার ঝুঁকি যেমন থাকে, তেমনই তার প্রভাব পড়তে পারে সদ্যোজাতের স্বাস্থ্যের উপরও।

কমিটির সদস্যরা জানাচ্ছেন, প্রস্তাবিত এসওপি-তে প্রসূতির ঝুঁকি শনাক্তকরণ, নিয়মিত অ্যান্টিন্যাটাল পরীক্ষা, রক্তাল্পতা ও অপুষ্টির মোকাবিলা, প্রয়োজন হলে উচ্চতর চিকিৎসাকেন্দ্রে রেফার, নিরাপদ প্রসব ও প্রসবের পরে মা ও শিশুর নজরদারির মতো বিষয় গুরুত্ব পেতে পারে। গর্ভাবস্থা নিশ্চিত করার পর যত দ্রুত সম্ভব কিশোরীকে স্ত্রীরোগ ও প্রসূতি বিশেষজ্ঞর কাছে নিয়ে যাওয়া-সহ অ্যান্টিনেটাল কেয়ারের আওতায় আনা এসবই নির্দিষ্ট হবে নতুন এসওপিতে।

সম্প্রতি মালদহ মেডিক্যাল কলেজে ১০ জন সদ্যোজাতের মৃত্যুর ঘটনায় মৃত শিশুদের মায়েদের মধ্যে পাঁচ জন কিশোরী প্রসূতি ছিলেন বলে স্বাস্থ্যদপ্তরের পর্যবেক্ষণে উঠে আসে। এই পরিস্থিতিতে প্রসূতি ও শিশুমৃত্যু কমানোর লক্ষ্যেই আলাদা স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর (এসওপি) তৈরির উদ্যোগ বলে স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রের খবর।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.