সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সংস্কৃত বিভাগে মুসলিম শিক্ষকের নিযুক্তি নিয়ে তুঙ্গে বিতর্ক। ছাত্রদের একাংশের প্রতিবাদ এখনও চলছে। কোনও অহিন্দু ব্যক্তির কাছ থেকে তারা বৈদিক ভাষার পাঠ নেবেন না। এহেন পরিস্থিতে মুখ খুললেন বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা অধ্যাপক ফিরোজ খান। কুরানের চাইতেও সংস্কৃত ভাল জানেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।
কয়েকদিন আগেই বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগে সহকারী অধ্যাপক পদে নিযুক্ত হন ফিরোজ খান। তারপরই দানা বাঁধে বিতর্ক। পড়ুয়াদের একাংশ দাবি করে বসে যে মুসলিম শিক্ষকের কাছ থেকে তাঁরা সংস্কৃতের পাঠ নেবেন না। এই বিরোধীতায় সুর মিলায় অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (ABVP)। এই উদ্ভট পরিস্থিতিতে কার্যত হতবাক ও আহত হয়ছেন সংস্কৃতে ডক্টরেট ডিগ্রির অধিকারি অধ্যাপক ফিরোজ খান। সংবাদমাধ্যমে তিনি বলেন, ‘আমি দ্বিতীয় শ্রেণি থেকেই সংস্কৃত নিয়ে পড়াশোনা করে এসেছি। আমার এলাকায় অন্তত ৩০ শতাংশ মুসলমান থাক সত্বেও কোনও দিন আলাদা করে আমার পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন ওঠেনি। বহু পরিচিত হিন্দু বন্ধু ও প্রবীণরা আমার প্রশংসা করেছেন। আজ যখন আমি পাঠদান করতে যাব, তখন আমার ধর্মকে টেনে আনা হচ্ছে।’ প্রতিবাদী ছাত্রদের উদ্দেশে বার্তা দিয়ে তিনি আরও বলেন,’সংস্কৃত নিয়ে পড়াশোনার সঙ্গে ধর্মের কোনও সম্পর্ক নেই। কুমারসম্ভব বা অভিজ্ঞান শকুন্তলম পড়তে ধমীয় আচরণের কোনও প্রয়োজন নেই। আশা করছি ছাত্ররা তাদের মত পাল্টাবে।’
এদিকে, গোটা বিতর্ক নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কড়া অবস্থান নিয়েছে। সাফ জানানো হয়েছে যে, যোগ্যতার নিরিখেই ফিরোজ খানকে ওই পদে নিযুক্ত করা হয়েছে। এবং তিনিই আপাতত বহাল থাকবেন। এনিয়ে বিতর্কের কোনও জায়গাই নেই।
[আরও পড়ুন: ‘আলো নিভিয়ে চলল লাঠিচার্জ’, সাংবাদিক বৈঠকে বিস্ফোরক JNU-এর সভানেত্রী ঐশী]
সর্বশেষ খবর
-
বৃদ্ধের খাবারে ঘুমের ওষুধের কড়া ডোজ, আলমারি ‘সাফ’ করে গায়েব পরিচারিকা!
-
পরিবর্তনের দুর্গোৎসবে শুধু ‘বড়’ নয়, ‘ছোট’দের পুজোর উদ্বোধনেও মুখ্যমন্ত্রী, তৈরি হচ্ছে তালিকা
-
কলকাতায় বিশ্বকাপারদের হ্যাটট্রিক! ব্রাজিল-উরুগুয়ের পর ফের বিদেশি প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে খেলবে ভারত
-
কলকাতার বধূকে চাকরির লোভ দেখিয়ে বাংলাদেশে পাচার! অবশেষে সীমান্ত পেরিয়ে ফিরলেন মধুমিতা
-
৪ নেতাকে সাসপেন্ড, এক্তিয়ার মনে করিয়ে ডায়মন্ড হারবারের সভানেত্রীকে শোকজ করল বিজেপি!