Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২২ জুলাই ২০২৬
Bunker Buster

আমেরিকার ‘মিশন ইরান’ থেকে শিক্ষা, ‘বাঙ্কার বাস্টার’ বোমা তৈরিতে তৎপর ভারত

'বাঙ্কার বাস্টার' ওয়ারহেড বহনে তৈরি হচ্ছে অগ্নি ৫-এর নয়া সংস্করণ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৩০, ২০২৫, ১৭:২৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৩০, ২০২৫, ১৭:২৩

options
link
আমেরিকার ‘মিশন ইরান’ থেকে শিক্ষা, ‘বাঙ্কার বাস্টার’ বোমা তৈরিতে তৎপর ভারত zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ইরানের দুর্ভেদ্য ফোরদো পারমাণবিক স্থাপনায় বাঙ্কার বাস্টার বোমা হামলা চালিয়ে বিশ্বকে চমকে দিয়েছে আমেরিকা। অত্যাধুনিক এই বাঙ্কার বাস্টার এবার তৈরি করতে চলেছে ভারতের প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থা ডিআরডিও। আমেরিকা এই বোমা ব্যবহারের জন্য অত্যাধুনিক বি-২ বিমান ব্যবহার করলেও, সম্পূর্ণ স্বদেশী প্রযুক্তিতে তৈরি ভারতের এই মারণ বোমা নিক্ষেপে বিমানের বদলে ব্যবহার করা হবে ক্ষেপণাস্ত্র।

ডিআরডিও-এর তরফে জানা যাচ্ছে, ‘বাঙ্কার বাস্টার’-এর জন্য ভারতের অত্যাধুনিক ব্যালেস্টিক মিসাইল অগ্নি ৫-এর একটি নতুন সংস্করণ তৈরি করা হচ্ছে। ৫০০০ কিলোমিটারের পাল্লার এই ক্ষেপণাস্ত্র বর্তমানে পারমাণবিক ওয়ারহেড বহন করতে সক্ষম। এরই নতুন যে সংস্করণ তৈরি করা হচ্ছে তাতে ওয়ারহেড হিসেবে থাকবে ৭৫০০ কেজি ওজনের বাঙ্কার বাস্টার। যা মাটির নিচে ৮০ থেকে ১০০ মিটার গভীরে থাকা যে কোনও শত্রুঘাঁটি ভেঙে গুঁড়িয়ে দিতে সক্ষম। জানা যাচ্ছে, অগ্নি ৫ ক্ষেপণাস্ত্রের দুটি সংস্করণ তৈরি করতে চলেছে ডিআরডিও। যার একটি হবে মাটির উপরে যেকোনও স্থাপনা ধ্বংস করার জন্য ও অন্যটি মাটির নিচের।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে ইরানের পরমাণু ঘাঁটি ধ্বংস করতে আমেরিকা ব্যবহার করেছিল GBU-57 বোমা যা বাঙ্কার বাস্টার নামে পরিচিত। পৃথিবীর সমস্ত বোমার জননী বলে উল্লেখ করা হয় এটিকে। যার ওজন ১৩ হাজার কেজি। অন্তত ১৪টি বোমা ব্যবহার করা হয়েছিল ইরানের ঘাঁটিতে। এই বোমা বহন করতে পারে একমাত্র মার্কিন বিমান বি-২। যার একটির দাম কম করে ২.১ বিলিয়ন ডলার। এর সঙ্গে বোমার খরচ আলাদা। সবমিলিয়ে একটি বোমা ব্যবহারের পিছনে আমেরিকার খরচ বিপুল। সে তুলনায় অনেক কম খরচে বাঙ্কার বাস্টার নির্মাণ করতে পারবে ভারত।

দাবি করা হচ্ছে, বাঙ্কার বাস্টার বহন যোগ্য অগ্নি সিরিজের যে ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করা হচ্ছে তার পাল্লা হবে ২৫০০ কিলোমিটার। অর্থাৎ গোটা পাকিস্তান ও চিন চলে আসবে এই ক্ষেপণাস্ত্রের আওতায়। ক্ষেপণাস্ত্রের গতি হবে ৮ ম্যাক থেকে ২০ ম্যাক। বিশেষজ্ঞদের দাবি, ভারত এই মারণাস্ত্র প্রস্তুত করে ফেললে মাটির নিচে লুকিয়ে থাকা শত্রুও রেহাই পাবে না ভারতের হাত থেকে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.