Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
CMIE

এপ্রিলে দেশে কর্মসংস্থানে রেকর্ড বৃদ্ধি, কাজ পেয়েছেন ৮৮ লক্ষ মানুষ

যদিও বেকারত্বের হার এখনও ঊর্ধ্বগামী, জানিয়েছে CMIE।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৬, ২০২২, ১৩:২২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৬, ২০২২, ১৩:২২

options
link
এপ্রিলে দেশে কর্মসংস্থানে রেকর্ড বৃদ্ধি, কাজ পেয়েছেন ৮৮ লক্ষ মানুষ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: খারাপ সময়ে কিছুটা হলেও ভাল খবর দিল মনিটরিং ইন্ডিয়ান ইকোনমির (Centre for Monitoring Indian Economy) সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান। তাদের রিপোর্ট বলছে, এপ্রিল মাসে সারা দেশে কাজ পেয়েছেন প্রায় ৮৮ লক্ষ মানুষ। যদিও চাহিদার তুলনায় তা কম বলেই উল্লেখ করা হয়েছে সিএমআইই-র (CMIE) রিপোর্ট। 

এর ফলেই বেকারত্বের হার এখনও উদ্বেগজনক পরিস্থিতির মধ্যেই রয়েছে। কেন্দ্রের উপদেষ্টা সংস্থার রিপোর্ট বলছে, দেশের গ্রামগুলিতে বেকারত্বের হার বর্তমানে ৮.৪৫ শতাংশ, অন্যদিকে শহর অঞ্চলে এই হার পৌঁছেছে ৮.৪ শতাংশে। তবে এপ্রিলে দেশের শ্রমশক্তি ৮.৮ মিলিয়ান বেড়ে পৌঁছেছে ৪৩৭.২ মিলিয়নে। মার্চে যা ছিল ৪২৮.৪ শতাংশ।

Advertisement

[আরও পড়ুন: প্রসাদ নিতে হুড়োহুড়ি, পদপিষ্ট হয়ে জখম অন্তত ১৭ জন পুণ্যার্থী]

সিএমআইই-র এমডি (MD) মহেশ ব্যাসের (Mahesh Vyas) বক্তব্য, করোনা কাঁটা ডিঙিয়ে মানুষ ধীরে ধীরে কর্মমুখী হচ্ছেন। তার ফলেই ৮৮ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। সংস্থার রিপোর্ট থেকে আরও জানা গিয়েছে, গত অর্থবর্ষে প্রতি মাসে গড়ে কর্মযোগ্য মানুষের সংখ্যা বেড়েছে ২ লক্ষ। কিছু মাসে কমেওছে। সব থেকে বেশি বেড়েছে ডিসেম্বরে। তথ্য বলছে, এপ্রিলে শিল্প ক্ষেত্রে প্রায় ৫৫ লক্ষ কর্মসংস্থান হয়েছে। অন্যদিকে পরিষেবা ক্ষেত্রে প্রায় ৬৭ লক্ষ কর্মসংস্থান হয়েছে। যদিও উলটো ঘটনা ঘটেছে কৃষিক্ষেত্রে। সেখানে কর্মসংস্থান কমেছে প্রায় ৫২ লক্ষের মতো। এছাড়াও উৎপাদন ক্ষেত্রে কাজ পেয়েছেন ৩০ লক্ষ মানুষ ও নির্মাণে প্রায় ৪০ লক্ষ। 

কৃষিক্ষেত্রে কর্মসংস্থান কেন কম? এর উত্তরে মনে করা হচ্ছে, রবি ফসল কাটার মরসুম শেষ হয়ে যাওয়ায় এবং গম উৎপাদন হ্রাস পাওয়ায় এই ঘাটতি। অন্যদিকে এপ্রিলে ৮৮ লক্ষ কর্মসংস্থানের কথা বলা হলেও তা আর্থিক দিক থেকে সুবিধাজনক কর্মসংস্থান নয় বলেই মনে করা হচ্ছে। কারণ রিপোর্টে যে বৃদ্ধির কথা বলা হচ্ছে, তা মূলত দৈনিক মজুরি এবং ছোট ব্যবসায়ীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ।

[আরও পড়ুন: সংক্রমণ কমলেও দেশে করোনায় মৃত্যুর হার ফের ঊর্ধ্বমুখী, সংকটে উত্তর কোরিয়া]

প্রসঙ্গত, গত কয়েক মাসে মূল্যবৃদ্ধিতে নাভিশ্বাস উঠছে আমজনতার। জ্বালানির মূল্য সেঞ্চুরি ছুঁয়েছে। রান্নার গ্যাসের দাম হাজার টাকা অতিক্রম করেছে। অন্যদিকে ডলারের নিরিখে টাকার পতন হয়েছে রেকর্ড হারে। ধস নেমেছে শেয়ার বাজারেও। এই অবস্থায় সিএমআইই রিপোর্টে যে বৃদ্ধির কথা বলা হচ্ছে, তার সঙ্গে আমজনতার বাস্তব পরিস্থিতির যোগ নেই বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞদের একাংশ।  

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.