Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২৯ আগস্ট ২০২৬
বিদেশমন্ত্রক

‘আলোচনার মাধ্যমেই মিটবে ভারত-চিন সমস্যা’, যুদ্ধের আশঙ্কা উড়িয়ে বিবৃতি বিদেশমন্ত্রকের

আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা মেটাতে রাজি চিনও, জানাল ভারত সরকার।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৭, ২০২০, ১২:৫৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৭, ২০২০, ১২:৫৩

options
link
‘আলোচনার মাধ্যমেই মিটবে ভারত-চিন সমস্যা’, যুদ্ধের আশঙ্কা উড়িয়ে বিবৃতি বিদেশমন্ত্রকের zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (LAC) বরাবর ভারত ও চিনের মধ্যে যে সাময়িক উত্তেজনার পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে, তা আলোচনার মাধ্যমেই মিটিয়ে নেবে দুই দেশ। দুই দেশের সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট জেনারেল পর্যায়ের বৈঠকের একদিন পর বিবৃতি জারি করল বিদেশমন্ত্রক। জানিয়ে দেওয়া হল, আগামী দিনে এই ইস্যুতে কূটনৈতিক এবং অসামরিক পর্যায়ে আলোচনা চালিয়ে যাওয়া হবে। এবং আলোচনার মাধ্যমেই মিটবে দুই দেশের সীমান্ত সমস্যা।

উল্লেখ্য, শনিবার চিনের মালডো এলাকায় লালফৌজের সেনাঘাঁটিতে ভারত ও চিনের লেফটেন্যান্ট জেনারেল পর্যায়ের বৈঠক হয়। সূত্রের খবর, দুপুরে বৈঠক শেষ হওয়ার কিছুক্ষণ পরই তার রিপোর্ট প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরকে, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংকে (Rajnath Singh), বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকরকে এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালকে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। বৈঠকে দুই দেশের সেনা প্রতিনিধিদের মধ্যে যা যা আলোচনা ও অগ্রগতি হয়েছে তা সেনাপ্রধান জেনারেল মনোজ মুকুন্দ নারভানে, সেনা সর্বাধিনায়ক জেনারেল বিপিন রাওয়াত, প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের আধিকারিকদের জানানো হয়েছে। দুই দেশের সেনাবাহিনীর বৈঠকে স্পষ্ট কোনও সমাধানসুত্র না বের হলেও ‘সম্ভাব্য সমাধানসূত্র’ বের করতে দুই পক্ষই অনেকগুলি বিকল্পের প্রস্তাব দিয়েছে। সেজন্য এই আলোচনাকে ইতিবাচক বলা হচ্ছে।

[আরও পড়ুন: শর্ত মানলে সীমান্ত থেকে সেনা সরাবে চিন! বৈঠকের পর দিল্লিকে রিপোর্ট দিল সেনা]

এই ‘ইতিবাচক’ আলোচনার পরদিনই ভারতের বিদেশমন্ত্রক বিবৃতি দিয়ে জানাল, “দুই পক্ষই কূটনৈতিক এবং অসামরিক পর্যায়ে আলোচনা করে সমস্যার সমাধান করবে। সীমান্ত এলাকায় শান্তি এবং সহযোগিতার পরিবেশ যাতে বজায় থাকে, তা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর দুই দেশই। চিন বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক চুক্তি মেনেই শান্তিপূর্ণভাবে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা মেটানোর প্রস্তাবে সায় দিয়েছে।” বিদেশমন্ত্রক আরও জানিয়েছে, এটা ভারত-চিন কূটনৈতিক সম্পর্কের ৭০ তম বর্ষ। তাই দুই দেশই পারস্পারিক সহযোগিতার মাধ্যমে কূটনৈতিক সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে চায়।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.