Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
ভারত

চিনকেও ছাপিয়ে গেল ভারত! দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়াল ৮৪ হাজার

সংক্রমণের নিরিখে ভারতের স্থান বিশ্বে একাদশে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৫, ২০২০, ২২:৫৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৫, ২০২০, ২২:৫৭

options
link
চিনকেও ছাপিয়ে গেল ভারত! দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়াল ৮৪ হাজার zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারতে করোনার সংক্রমণ টেক্কা দিল করোনার আঁতুরঘর চিন (China)। দেশে সংক্রমণের মাত্রা ছাড়াল ৮৪ হাজার। ফলে বিশ্বে সংক্রমণের নিরিখে একাদশে স্থান পেল ভারত।

শুক্রবার রাজ্যের স্বাস্থ্য বিভাগের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ভারতে এই মুহূর্তে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ৮৪,৭১২! যা চিনের করোনা আক্তান্তের সংখ্যা পেরিয়ে গিয়েছে। গত বছরের শেষদিকে চিনে করোনা ভাইরাস প্রথম হানা দেয়। এই মারণ ভাইরাসে আক্রান্তের নিরিখে ভারত বর্তমানে বিশ্বের দরবারে একাদশে স্থান পায়। তবে ভারতের মৃত্যুর হার এখনও চিনের তুলনায় কম। চিনে মৃত্যুর হার ৫.৫ শতাংশ। ভারতে সেখানে ৩.২ শতাংশ, যা উল্লেখযোগ্যভাবেই বেশ ভালো বলে দাবি করে স্বাস্থ্যমন্ত্রক। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী ভারতে ২৭,০০০-এরও বেশি লোক সুস্থ হয়েছেন এই রোগকে হারিয়ে।

Advertisement

[আরও পড়ুন:‘শুধু বিরোধিতা নয়, বিকল্প নীতিও তৈরি করতে হবে’, বঙ্গ বিজেপিকে পরামর্শ স্বপন দাশগুপ্তর]

বিশ্বজুড়ে, ৪৪ লক্ষেরও বেশি মানুষ করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেই কেবল এই আক্রান্তের প্রায় এক তৃতীয়াংশ ঘটনার সন্থান মিলেছে। যা এখনও পর্যন্ত সর্বোচ্চ স্থানে রয়েছে। মারাত্মক এই শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত রোগে (SARI) ৩ লক্ষেরও বেশি মানুষ মারা গেছেন। রাশিয়া দ্বিতীয়, যুক্তরাজ্য এবং স্পেন যথাক্রমে তৃতীয় এবং চতুর্থ স্থানে রয়েছে। এই প্রতিটি স্থানেই দুই লক্ষেরও বেশি মানুষ আক্রান্ত। চিনের শহর ইউহান (Wuhan), এই ভাইরাসের কেন্দ্রস্থলে নতুন করে আক্রান্ত হওয়ার কিছু ঘটনা প্রকাশিত হয়। তা সত্ত্বেও এই মুহূর্তে সেদেশে ১০০ জনেরও কম মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন। সংক্রমণের কারণে চিনে ৪হাজার৬৩৩ জন প্রাণ হারিয়েছেন। তবে সেরে উঠেছেন ৭৮ হাজারেরও বেশি মানুষ। চিন ও অন্যান্য বেশ কয়েকটি দেশ যখন নিজস্ব অর্থনীতির গতি ফেরাতে ব্যস্ত হওয়ার উপক্রম করছে, তখনই এই মারণ ভাইরাসের সম্ভাব্য পুনরুত্থানের নতুন উদ্বেগ দেখা দিচ্ছে।

[আরও পড়ুন:অর্থের অভাবে হাঁটাই ভরসা বাংলার শ্রমিকদের, পার করবেন ৯৫০ কিলোমিটার]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.