৪ আশ্বিন  ১৪২৭  মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

চিনের উপর চাপ বাড়িয়ে ভারতের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর জাপানের

Published by: Monishankar Choudhury |    Posted: September 10, 2020 6:18 pm|    Updated: September 10, 2020 6:21 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আগ্রাসী চিনকে নজরে রেখে সামরিক সম্পর্ক আরও মজবুত করল ভারত ও জাপান। বুধবার, দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে সহযোগিতা বাড়িয়ে তুলতে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে নয়াদিল্লি ও টোকিও।

[আরও পড়ুন: বিস্ফোরণে বিধ্বস্ত বেইরুট বন্দরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ফের আতঙ্কে কাঁপল লেবানন]

জানা গিয়েছে, রাজধানী দিল্লিতে ‘The Acquisition and Cross-Servicing Agreement’ (ACSA) চুক্তি স্বাক্ষর করেন জাপানের রাষ্ট্রদূত সাতোশি সুজুকি। এই চুক্তির ফলে ভারতীয় সেনা ও জাপানি ফৌজের মধ্যে রসদ আদানপ্রদান ও একে ওপরের সামরিক পরিকাঠামো ব্যবহারের সুবিধা পাবে। তবে লাদাখ ও দক্ষিণ চিন সাগরে চিনের আগ্রাসনের কথা মাথায় রেখে, এই চুক্তির আসল উদ্দেশ্য লালফৌজের বিরুদ্ধে একটি সামরিক বলয় গড়ে তোলা বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

এদিক, এই চুক্তি নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে। বৃহস্পতিবার, আবে ফোন করেন মোদিকে৷ প্রায় ৩০ মিনিট ধরে চলা আলোচনার বিষয় ছিল সেই ইন্দো-প্যাসিফিক রিজিয়ন৷ মূলত ওই অঞ্চলে শান্তি বজায় রাখতে ভারত ও জাপান কী ধরনের পদক্ষেপ করেছে, তা কতদূর ফলপ্রসু হয়েছে, এই যাবতীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়৷ ভরত ও জাপানের সম্পর্ক আরও মজবুত করার বিষয়ে স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ বাড়ানোতেও জোর দেওয়া হয়েছে দুই রাষ্ট্রনেতার আলোচনায়৷ আধ ঘণ্টার ওই ফোন কলে শিনজো আবে নিজের স্বাস্থ্যের বিষয়ে ও প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা প্রকাশের ইচ্ছে নিয়েও কথা বলেন মোদির সঙ্গে৷ জাপানের সবচেয়ে দীর্ঘ সময়ের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে কয়েকদিন আগেই স্বাস্থ্যের কারণে ইস্তফার ইচ্ছে প্রকাশ করেছিলেন৷ জাপানের বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, জাপানের নেতৃত্বে পরিবর্তন ঘটলেও ভারত-জাপান সম্পর্কে তার কোনও প্রভাব পড়বে না৷

উল্লেখ্য, এর আগে অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গেও প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর করেছে মোদি সরকার। এই চুক্তির ফলে ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে দু’দেশের মধ্যে সামরিক শক্তি বিনিময়ের পথ প্রশস্ত হয়ে গেল৷ তবে সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, চুক্তির অনুসারী অস্ট্রেলিয়ার সেনাঘাঁটি ব্যবহার করে উপরোক্ত দুই মহাসাগরেই অবাধে পাড়ি দিতে পারবে ভারতীয় নৌবহর। এর ফলে চিনা নৌবাহিনীকে এক চক্রব্যূহর মধ্যে ঘিরে ফেলা যাবে। প্রসঙ্গত, আগেই আমেরিকা, ফ্রান্স, সাউথ কোরিয়া ও সিঙ্গাপুরের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ভারত। এর ফলে ওই দেশগুলির নৌসেনা ঘাঁটি ব্যবহার করতে পারবে ভারতীয় নৌবহর। পাশাপাশি, ভিয়েতনামের সঙ্গে ক্রমশ সামরিক সহযোগিতা বাড়িয়ে চলেছে নয়া দিল্লি৷ ভিয়েতনামকে ভয়ঙ্কর আকাশ মিসাইলও সরবরাহ করতে পারে ভারত৷

[আরও পড়ুন: গণতন্ত্রের বিধান! সাংসদ পদে শপথগ্রহণ ফাঁসির সাজাপ্রাপ্ত হত্যাকারীর]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement