২১ শ্রাবণ  ১৪২৭  বৃহস্পতিবার ৬ আগস্ট ২০২০ 

Advertisement

স্কুলে স্বাস্থ্যকর পরিবেশ গড়ার পথে দ্রুত এগোচ্ছে ভারত, প্রশংসা রাষ্ট্রসংঘের

Published by: Tanujit Das |    Posted: September 3, 2018 6:40 pm|    Updated: September 3, 2018 6:40 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: স্কুলে স্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরি করতে ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে সাফল্যের সঙ্গে কাজ করছে ভারত৷ সাম্প্রতিক রিপোর্টে এমনই জানিয়েছে রাষ্ট্রসংঘ৷ পাশাপাশি, প্রশংসা করা হয়েছে নারী শিক্ষায় দেশের অগ্রগতির৷ এই রিপোর্ট প্রস্তুত করার আগে ২০০০ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত ভারতের বিভিন্ন স্কুলে নজর রাখা হয়৷ সেখান থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে রিপোর্ট প্রকাশিত হয়৷ রিপোর্টে বলা হয়েছে, এই সময়ের মধ্যে দেশের বিভিন্ন স্কুলে তাৎপর্যপূর্ণভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি, সেই সম্পর্কিত সচেতনতা শিবির, পরিশুদ্ধ পানীয় জলের ব্যবস্থাপনা, শৌচালয় নির্মাণ ইত্যাদি কর্মসূচি৷ কেবল পদক্ষেপ গ্রহণই হয়নি৷ পাশাপাশি কাজও হয়েছে৷

[উত্তরপ্রদেশে গোরক্ষকদের তাণ্ডব, গরুকে চিকিৎসা করাতে গিয়ে আক্রান্ত বৃদ্ধ]

২০১৮ গ্লোবাল বেসলাইন নামের এই রিপোর্টটি যৌথভাবে প্রকাশ করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) ও রাষ্ট্রসংঘ৷ ১৯৯০ থেকে বিভিন্ন দেশে এই বিষয়ক গবেষণা চালাচ্ছে তাঁরা৷ প্রচার চলছে WASH ও SDG নামের দু’টি প্রকল্পের৷ প্রথমটির মাধ্যমে, স্কুলে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার এবং পরিশুদ্ধ জলের ব্যবস্থা করার প্রচার চালান হচ্ছে৷ দ্বিতীয় প্রকল্পের মাধ্যমে স্কুলে যথাযথ শৌচালয় নির্মাণের ব্যবস্থা করা করছে আন্তর্জাতিক সংগঠন দুটি৷ পাশাপাশি ভারতে কাজ করছে ‘স্বচ্ছ ভারত অভিযান’-এর মতো প্রকল্প৷ যেখানে সরকারিভাবে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার প্রচার চালান হচ্ছে এবং প্রত্যন্ত এলাকায় সরকারের সাহায্যে শৌচালয় নির্মাণ করা হচ্ছে৷

[অনলাইনে বিক্রি হচ্ছে প্রয়াত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ীর চিতাভস্ম!]

জানা গিয়েছে, ষোলো বছরে ভারতে স্কুলমুখী পড়ুয়ার সংখ্যা বেড়েছে ২৬ মিলিয়ান৷ ২০০০-তে যেখানে ৩৫২ মিলিয়ান ভারতীয় শিশু স্কুলে যেত৷ ২০১৬-তে সেই সংখ্যাটা দাঁড়িয়েছে ৩৭৮ মিলিয়ান৷ বহু স্কুলে নিয়মিত পড়ানো হচ্ছে পরিবেশ বিদ্যার মতো বিষয়৷ পড়ুয়াদের ছোট থেকেই দেওয়া হচ্ছে পরিচ্ছন্নতার শিক্ষা৷ একটা বিশাল সংখ্যক স্কুলে ব্যবস্থা করা হয়েছে পরিশুদ্ধ পানীয় জলের৷ বিষয়টিকে স্বাগত জানিয়েছেন রাষ্ট্রসংঘের অন্যতম আধিকারিক কেলি এন নাইলর৷ তিনি জানান, ছোট থেকে সুশিক্ষা পেলে তবেই, পরবর্তীকালে সুস্থ জীবন লাভ করতে পারবে শিশুরা৷ কারণ তাঁরাই ভবিষ্যৎ৷

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement