Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬

‘নিজের চরকায় তেল দিন’, ইমরানকে কড়া বার্তা নয়াদিল্লির

কাশ্মীর নিয়ে পাক প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যে আরও উত্তপ্ত পরিস্থিতি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৩, ২০১৮, ১০:৫৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৩, ২০১৮, ১০:৫৫

options
link
‘নিজের চরকায় তেল দিন’, ইমরানকে কড়া বার্তা নয়াদিল্লির zoom
ইমরান খান

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কাশ্মীর নিয়ে পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করল ভারত। শুধু তাই নয়। আরও একবার কিং খানকে রীতিমতো হুঁশিয়ারির সুরে নয়াদিল্লির বার্তা– ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বারবার মন্তব্য না করে তিনি যেন তাঁর দেশের সমস্যা মেটানোর দিকেই মনোনিবেশ করেন।

[অমৃতসর দুর্ঘটনায় অনাথ শিশুদের দায়িত্ব নিলেন সিধু]

Advertisement

বিতর্কের সূত্রপাত ইমরান খানের সাম্প্রতিক একটি টুইট থেকে। ইমরান টুইট করে মন্তব্য করেন, “ভারতের এটা বোঝা উচিত যে, কাশ্মীর সমস্যা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করার সময় এসে গিয়েছে। রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের গৃহীত প্রস্তাব এবং কাশ্মীরের মানুষের ইচ্ছাকে প্রাধান্য দিয়ে এই সমাধান করতে হবে।’’ একই সঙ্গে ইমরান আরও লেখেন যে, ‘‘ভারতীয় নিরাপত্তারক্ষীদের হাতে নিরীহ কাশ্মীরিদের হত্যার ঘটনার আমি তীব্র নিন্দা করছি।” ইমরানের এই মন্তব্যেই ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে নয়াদিল্লি। সোমবার ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রাবিশ কুমার জানান, ‘‘পাক প্রধানমন্ত্রী ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে মন্তব্য করে যে টুইট করেছেন তা অত্যন্ত আপত্তিজনক। পাক নেতৃত্বের উচিত আগে নিজেদের দেশের সমস্যাগুলির উপর নজর দেওয়া। আরও স্পষ্ট করে বললে, পাকিস্তানের উচিত আগে সন্ত্রাস দমনে কার্যকরী ভূমিকা নেওয়া।”

প্রসঙ্গত, রবিবার কাশ্মীরের কুলগাঁওয়ে জঙ্গিদের আক্রমণে প্রাণ হারান ছ’জন সাধারণ মানুষ। পাকিস্তান কাশ্মীরের এই ঘটনাকেই সোমবার হাতিয়ার করে শোরগোল ফেলার চেষ্টা করেছিল। ইমরান নিরীহ কাশ্মীরিদের হত্যার ঘটনার তীব্র নিন্দা করে এই ঘটনার দায় পুরোপুরি ভারতীয় নিরাপত্তারক্ষীদের উপর চাপানোর চেষ্টা করেন। খানিকটা একই পথে হেঁটেছিল পাক বিদেশমন্ত্রকও। অন্য একটি বিবৃতিতে পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী শাহ মহম্মদ কুরেশি বলেন, “কাশ্মীরের মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় গোটা বিশ্বের নজর দেওয়া উচিত।”

বস্তুত, রবিবার জঙ্গিদের আক্রমণে কুলগাঁওয়ে প্রাণ হারান চারজন নিরাপত্তারক্ষী। নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে সংঘর্ষে প্রাণ গিয়েছে তিন জঙ্গিরও। পাকিস্তানে নতুন সরকার অধিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকেই কাশ্মীরে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিদের আক্রমণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই নিয়ে ভারত আগেই অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। সেপ্টেম্বরে দু’দেশের বিদেশমন্ত্রীদের মধ্যে যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হওয়ার কথা ছিল তাও ভারত খারিজ করে। তখনই ভারত ঘোষণা করেছিল, পাকিস্তান যখন জঙ্গিদের মদত দিচ্ছে তখন এই ধরনের আলোচনায় বসা অর্থহীন। ভারতের বিদেশমন্ত্রক তখনই অভিযোগ করেছিল, ইমরান একদিকে ভারতের সঙ্গে আলোচনায় বসার প্রস্তাব দিচ্ছেন অন্যদিকে দেশের কুখ্যাত জঙ্গিদের নামে ডাকটিকিট প্রকাশ করছেন। এই দ্বিচারিতা চলতে পারে না।

[প্রধানমন্ত্রী পদের প্রার্থী হিসেবে রাহুলকে চাইছে না কংগ্রেস!]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.