সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সম্প্রতি লাদাখে লালফৌজের আগ্রাসনে যুদ্ধের দোরগোড়ায় পৌঁছে গিয়েছিল ভারত ও চিন। কূটনৈতিক তথা সামরিক স্তরে আলোচনার পর আপাতত পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়েছে। সেনা সরাতে শুরু করলেও এখনও প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (LAC) ও কতটা তাদের দাবির জায়গা তা মানচিত্রে এখনও নির্দিষ্ট করেনি চিন (China)। আর তাই এবার বেজিংকে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় তাদের নিজেদের দাবির স্থান নিশ্চিত করতে চাপ দেওয়ার পরিকল্পনা করছে ভারত (India)।
[আরও পড়ুন: চিনের দিকে ঝুঁকছে বাংলাদেশ, পরিস্থিতি সামাল দিতে নয়া দূত পাঠাচ্ছে ভারত]
ভারত ও চিনের মধ্যে সংঘাতের অন্যতম কারণ প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা নিয়ে দু’দেশের ভিন্ন ধারণা। এছাড়াও, দু’দেশের মধ্যে সীমা নির্ধারণে ম্যাকমোহন লাইনের বৈধতা স্বীকার করেনা বেজিং। উদাহরণ স্বরূপ, প্যাংগং লেক বরাবর ফিঙ্গার ১ থেকে ফিঙ্গার ৮ পর্যন্ত বরাবর টহল দিয়ে এসেছে ভারতীয় ফৌজ। তবে চিনের দাবি, ফিঙ্গার ৮ থেকে ফিঙ্গার ৪ পর্যন্ত তাদের এলাকা। ফলে সংঘাত বাড়ছে দুই বাহিনীর মধ্যে। গত মে মাসে ওই এলাকায় আচমকাই ভারতীয় জওয়ানদের উপর লাঠি ও পাথর নিয়ে হামলা চালিয়েছিল চিনা বাহিনী। তাই এবার সীমান্ত নির্দিষ্ট করতে চিনের উপর চাপ দিতে চলেছে ভারত।
সূত্রের খবর, মানচিত্র নিশ্চিত হলেই দু’দেশের মধ্যে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার সীমান্তও নির্দিষ্ট হবে এবং টহলদারি নিয়ে জট কাটবে। তবে এই প্রস্তাবে সায় দিচ্ছে না চিন। বিশ্লেষকদের মতে, নির্দিষ্ট সীমারেখা না থাকায়, ভুয়ো দাবি করে আগ্রাসন চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছে বেজিং। এপর্যন্ত ২২ দফার বৈঠক শেষেও শুধু মধ্যবর্তী ক্ষেত্রেই মানচিত্র বদলাবদলি করেছে চীন। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার মানচিত্র নিয়ে কোনও কথাই বলেনি তারা। এখনও পর্যন্ত সীমান্ত সমস্যার প্রস্তাব অধরা থাকলেও গালওয়ান উপত্যকার ঘটনা এক্ষেত্রে মানচিত্র বদলাবদলির পক্ষে যথেষ্ট কারণ বলেই মনে করে দিল্লি।
[আরও পড়ুন: ‘ঘাতক’ কমান্ডোর হাতে খতম ১২ চিনা সেনা, গালওয়ানের লড়াইয়ে গুরতেজ যেন ‘লিওনাইডাস’]
সর্বশেষ খবর
-
ফের ভূমিকম্পে কেঁপে উঠছে মাটি, আতঙ্কের গ্রাসে দার্জিলিং-সহ উত্তর
-
টাকি পুরসভার ‘বিদ্রোহী’ তৃণমূল কাউন্সিলরের পদত্যাগ, জোর জল্পনা
-
অরূপ-স্বরূপের ‘রহস্যময় ঘরে’ তল্লাশি পুলিশের, উদ্ধার মোবাইল-আইপ্যাড, প্রচুর নথি!
-
কুলটিতে ‘ভয় আউট, ভরসা ইন’, মন্ত্রীর জনতার দরবারে ৫ বছরের সমস্যার সমাধান ২৪ ঘণ্টায়!
-
আলিপুরদুয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউনিয়ন রুমে কন্ডোম, নেশার সামগ্রী! শোরগোল শিক্ষাঙ্গনে