BREAKING NEWS

১২ আশ্বিন  ১৪২৭  মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

চিন ও ইউরোপের মতো ভারতে প্রভাব বিস্তার করতে পারবে না করোনা, আশার বাণী গবেষকদের

Published by: Sulaya Singha |    Posted: March 16, 2020 10:01 am|    Updated: March 16, 2020 10:01 am

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিশ্বব্যাপী মহামারিতে পরিণত হয়েছে COVID-19 ভাইরাস। গোটা দুনিয়ায় এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা সাড়ে ৬ হাজার ছাড়িয়েছে। চিনের পর করোনার কোপে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত ইউরোপ। ইটালি ও স্পেনের অবস্থা রীতিমতো শোচনীয়। একদিনেই স্পেনে মৃত্যু হয়েছে ১০০ জনের। ইউরোপে এখনও পর্যন্ত ২০০০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। যতদিন যাচ্ছে, ভারতেও বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। মৃত্যু হয়েছে দু’জনের। তবে আশার বাণী শোনাচ্ছেন গবেষকরা। তাঁদের দাবি, চিন কিংবা ইউরোপে যেভাবে এই মহামারি প্রভাব বিস্তার করেছে, ভারতে ততটা সম্ভব হবে না।

করোনা মোকাবিলায় ফ্রান্সে সাধারণ মানুষকে বাড়িতে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে পর্যটকদের যাতায়াতে জারি হয়েছে নিষেধাজ্ঞা। এদিকে আবার আমেরিকায় দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে গবেষকদের মতে, এই সব দেশগুলি সতর্কতা অবলম্বন করতে অনেকখানি দেরি করে ফেলেছে। কারণ ততক্ষণে সংক্রমণ অনেকটাই নিজের সাম্রাজ্য বিস্তার করে ফেলেছে। করোনায় মৃত্যুও হয়ে গিয়েছে। আর ঠিক এখান থেকেই এগিয়ে ভারত। এ দেশ যে দ্রুততার সঙ্গে করোনা মোকাবিলায় পদক্ষেপ করেছে, যেভাবে মানুষ সচেতন হয়েছে, যেভাবে দেশজুড়ে সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে, সেটাই ভারতের জন্য আশীর্বাদ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

[আরও পড়ুন: ‘মৃত্যুভয় কাটিয়ে ফিরলাম’, সুস্থ হয়ে অভিজ্ঞতা শোনালেন দিল্লির প্রথম করোনা আক্রান্ত ব্যক্তি]

এধরনের মহামারির ক্ষেত্রে মূলত চারটি বিষয় লক্ষ্যণীয়। প্রথমত, রোগটি অন্য দেশ থেকে এসেছে কি না। সেক্ষেত্রে দেশে বিদেশিদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত সঠিক পদক্ষেপ। দ্বিতীয়ত, বিদেশ থেকে আগত কারও থেকে স্থানীয়দের শরীরে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়লে তাঁকে সঙ্গে সঙ্গে আলাদা করে রাখা প্রয়োজন। তৃতীয়ত, সংক্রমণের উৎস খুঁজে পাওয়া জরুরি। চতুর্থত, গোটা দেশে এই মহামারি ছড়িয়ে পড়লে অথচ তার উৎস জানা না থাকলে তার ব্যাপ্তি অস্বাভাবিকভাবে বাড়ে। যা রুখতে বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন।

গবেষকদের মতে, ভারত এখন দ্বিতীয় স্তরে রয়েছে। ভাইরাস মোকাবিলায় আগেভাগে সমস্ত পদক্ষেপ করেছে এই দেশ। ফলে সংক্রমণ প্রতিরোধ করার সময় ও সুযোগ দুই-ই মিলছে। করোনা থেকে সুরক্ষিত থাকতে যেমন সাধারণ মানুষ সমস্ত নিয়মাবলি মেনে চলছেন, তেমনই সমস্ত স্কুল-কলেজ, শপিং মল, রেস্তরাঁ বন্ধ করে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এমন সিদ্ধান্তে দেশের আর্থিক ব্যবস্থা নিঃসন্দেহে চাপের মুখে পড়বে। কিন্তু ভাইরাস ঠেকানোর জন্য এই সিদ্ধান্ত সত্যিই প্রশংসনীয়। তাই গবেষকদের দাবি, চিন ও ইউরোপের মতো এ দেশে ভয়ংকর আকার ধারণ করতে ব্যর্থ হবে ভিলেন করোনা।

[আরও পড়ুন: মাত্র দু’টাকায় বিকোচ্ছে মাস্ক, কালোবাজারির মধ্যেই নজির দুই ব্যবসায়ীর]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement