২৭ কার্তিক  ১৪২৬  বৃহস্পতিবার ১৪ নভেম্বর ২০১৯ 

BREAKING NEWS

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

২৭ কার্তিক  ১৪২৬  বৃহস্পতিবার ১৪ নভেম্বর ২০১৯ 

BREAKING NEWS

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘নেক্সট জেন’ যুদ্ধ কেমন হবে? তারই ছোট্ট একটু নমুনা দেখা গেল রাজস্থানের মরুভূমিতে। প্রতিবেশী চিন ও পাকিস্তানকে চাপে রাখতে সামরিক মহড়া শুরু করল ভারত। যাতে অংশ নিচ্ছে ৪০ হাজার সেনা। একাধিক শক্তিশালী যুদ্ধবিমান, বিভিন্ন কমব‌্যাট ফোর্স, চপার, কামান, ট‌্যাঙ্ক, লেজার প্রযুক্তি ব্যবহার করে বোমা নিক্ষেপ, রকেট ছোড়া-সবই দেখল গোটা বিশ্ব। এই সামরিক মহড়ার নাম ‘সিন্ধু সুদর্শন’। ভারতীয় সেনাবাহিনীর ‘সুদর্শন চক্র কর্পস’ মূলত এই মহড়ায় অংশ নিয়েছিল। পাঁচ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই মহড়া চলবে। পুরো প্রক্রিয়াটি পর্যালোচনা করবেন ভারতীয় সেনার সাদার্ন কমান্ডের বর্তমান জিওসি-ইন-সি, লেফটেন‌্যান্ট জেনারেল এস কে সাইনি। অনেকে যাঁকে সম্ভাব‌্য পরবর্তী সেনাপ্রধান হিসাবে মনে করছেন।

বিএম-২১ গ্রাদ। সোভিয়েত রাশিয়ায় তৈরি ট্রাকবাহিত ১২২ এমএম মাল্টিপল রকেট লঞ্চার ব‌্যবহার করে মাত্র ২০ সেকেন্ডে পরপর ৪০টি রকেট ছোঁড়ে ভারতীয় সেনা। একসঙ্গে বা আলাদা ভাবেও রকেটগুলি নিক্ষেপ করা যায়। ভবিষ‌্যতে যুদ্ধ হলে বিভিন্ন বাহিনী কীভাবে সংহত হয়ে লড়াই করবে, তারই অভ‌্যাস শুরু হয়েছে পোখরানে। সেনা সূত্রে খবর, যুদ্ধে শত্রু সীমান্তের গভীরে কীভাবে স্থল ও আকাশপথে যুগপৎ হামলা চালানো হবে, বাহিনীর সেই শক্তি এবার পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। তবে মূল লক্ষ‌্য, পশ্চিম সীমান্ত। ‘নেক্সট জেন’ সামরিক অস্ত্রভাণ্ডার গড়ে তোলা নিয়ে চিনের সঙ্গেও ভারতের ঠান্ডা যুদ্ধ লেগেই আছে। তাই নয়াদিল্লি উভয় দেশকেই বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করল বলে মনে করছেন প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা।

রাশিয়ার সঙ্গে যৌথভাবে তৈরি সুপারসনিক প্রযুক্তির ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে ভারতের প্রতিরক্ষা ভাণ্ডারে। আরও উন্নত ও দ্রুতগতির হাইপারসনিক প্রযুক্তির ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির প্রক্রিয়াও শুরু করেছে ভারত। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমানে ইন্টার কন্টিনেন্টাল ব্যালাস্টিক মিসাইল (আইসিএমবি) -এর চেয়েও দ্রুতগামী হাইপারসনিক প্রযুক্তির ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চলছে এখন। অপারেশন ‘সুদর্শন শক্তি’ এই ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষারই অন্যতম অঙ্গ।

এই মহড়ায় স্থলসেনার ২১ স্ট্রাইক কোরের (সুদর্শন শক্তি) প্রয়োগ করা হয়েছে। পোখরানের ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জের ১২২ মিটারের মধ্যে এই মহড়ায় অংশ নিয়েছে বোফর্স কামান, চপার, মাল্টি ব্যারেল রকেট-লঞ্চার। বায়ুসেনার জাগুয়ার ও মিগ-২১ ফাইটার জেট, আইএল ৭৮, হারকিউলিস, এএন-৩২ বিমানও অংশগ্রহণ করে অপারেশন ‘সিন্ধু সুদর্শন’-এ। রাজস্থানের মরুভূমির মাঝে পোখরানে ১৯৯৮-এর মে মাসে ভারত পরমাণু বোমা ফাটিয়েছিল। ‘অপারেশন শক্তি’ কাঁপিয়ে দিয়েছিল গোটা বিশ্বকে। তারও কয়েক বছর আগে থেকে পোখরানে সামরিক মহড়া শুরু হয়ে যায়। সাম্প্রতিককালে পুলওয়ামার জঙ্গি হামলার পর বদলা নেওয়ার প্রবল দাবির মধ্যেই পোখরানের আকাশে ওড়ে দেশের একাধিক শক্তিশালী যুদ্ধবিমান। লেজার প্রযুক্তির সাহায্যে বোমা নিক্ষেপ, রকেট লঞ্চারের ব্যবহার করা হয় সেই মহড়ায়। মিগ-২১, মিগ-২৭, মিগ-২৯, মিরাজ ২০০০-সহ ১৪০টি ফাইটার জেট, বেশ কিছু হেলিকপ্টার শক্তি প্রদর্শন করে। জাগুয়ার, মিগ ২১ বাইসন, আইএল ৭৮, হারকিউলিস, এএন-৩২ বিমানও অংশ নিয়েছে সামরিক অনুশীলনে।

[আরও পড়ুন: দুইয়ের বেশি সন্তান হলে মিলবে না সরকারি চাকরি, নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত অসম সরকারের]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং