২৭ কার্তিক  ১৪২৬  বৃহস্পতিবার ১৪ নভেম্বর ২০১৯ 

BREAKING NEWS

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

২৭ কার্তিক  ১৪২৬  বৃহস্পতিবার ১৪ নভেম্বর ২০১৯ 

BREAKING NEWS

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিল অসম সরকার। ২০২১ সালের পর দুইয়ের বেশি সন্তান হলে আর কোনও দম্পতিকে সরকারি চাকরি দেবে না অসম সরকার। এই প্রস্তাবে ছাড়পত্র দিল অসম মন্ত্রিসভা। শুধু তাই নয়, যারা ইতিমধ্যেই সরকারি চাকরি পেয়ে গিয়েছেন, তাদেরও এ বিষয়ে যত্নবান হতে হবে। তাঁদের যাতে দুইয়ের বেশি সন্তান না হয়, তাও নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথা হলে, তাঁদেরও চাকরি নিয়ে টানাটানি পড়তে পারে।


জনসংখ্যা বৃদ্ধি ভারতের দীর্ঘদিনের সমস্যা।  ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী এদেশে এখন প্রায় ১৩৪ কোটি লোকের বাস। আর চিনের জনসংখ্যা ১৪১ কোটি। সম্প্রতি প্রকাশিত এক রিপোর্টে বলা হয়েছে আগামী ২০২৭ সালের মধ্যে চিনকেও টপকে যেতে পারে ভারত। এই সমস্যা রুখতে দুই সন্তান নীতির দাবি অনেক পুরনো। গেরুয়া শিবিরের একাংশের দাবি, গোটা দেশেই এই ধরনের নিয়ম চালু হওয়া উচিত। দুইয়ের বেশি সন্তান হলে শুধু সরকারি চাকরি নয়, সমস্তরকম সুযোগ-সুবিধা থেকেও বঞ্চিত করা উচিত।

[আরও পড়ুন: ‘মোদিকে ধন্যবাদ’, আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের প্রশংসায় পঞ্চমুখ নোবেলজয়ী অভিজিৎ]


দেশের অন্য কোনও রাজ্য এখনও সাহস দেখিয়ে এই নীতি কার্যকর করতে পারেনি। অসমই প্রথম সাহস দেখাল। সোমবার সন্ধ্যায় অসমের মন্ত্রিসভা এই প্রস্তাবে ছাড়পত্র দিয়েছে। যাতে বলা হয়েছে ২০২১ সালের ১ জানুয়ারির পর যে সমস্ত পরিবারের দুইয়ের বেশি সন্তান থাকবে তাঁরা সরকারি চাকরির জন্য আবেদন করতে পারবেন না। এছাড়াও যারা এর মধ্যে সরকারি চাকরি পাবেন তাদেরও এই বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে। ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে অসম বিধানসভায় ‘অসমের জনসংখ্যা ও নারীদের ক্ষমতায়ন বিল’ পাশ করানো হয়। ওই বিলেই স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে যে, দু’টি সন্তান রয়েছে এমন চাকরিপ্রার্থীরাই কেবলমাত্র সরকারি কর্মসংস্থানের যোগ্য হতে পারবেন। সেই বিলের প্রস্তাবেই এবার ছাড়পত্র দিল মন্ত্রিসভা।

একই দিনে আরও ভূমি সংস্কার বিলে ছাড়পত্র দিয়েছে অসম মন্ত্রিসভা। যাতে বলা হয়েছে, ভূমিহীন আদিবাসীদের ৩ বিঘা করে জমি দেবে অসম সরকার।

[আরও পড়ুন: হিংসাত্মক অপরাধের নিরিখে দেশের শীর্ষে উত্তরপ্রদেশ, ক্রাইম ব্যুরোর রিপোর্টে বাড়ছে উদ্বেগ]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং