Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Indian Embassy

পাকিস্তানের কাছে সেনার তথ্য পাচার! গ্রেপ্তার মস্কোর ভারতীয় দূতাবাসের কর্মী

উত্তরপ্রদেশ থেকে গ্রেপ্তার হয়েছে ভারতীয় দূতাবাসের ওই কর্মী। সূত্র মারফত ওই কর্মীর কার্যকলাপ জানতে পারে উত্তরপ্রদেশের সন্ত্রাসদমন শাখা। রবিবার তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৪, ১৪:১৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৪, ১৪:১৬

options
link
পাকিস্তানের কাছে সেনার তথ্য পাচার! গ্রেপ্তার মস্কোর ভারতীয় দূতাবাসের কর্মী zoom
নিজস্ব চিত্র।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পাকিস্তানের (Pakistan) হয়ে চরবৃত্তির অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন ভারতীয় দূতাবাসের কর্মী। জানা গিয়েছে, মস্কোর ভারতীয় দূতাবাসে কর্মরত ছিলেন উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) ওই ব্যক্তি। নিজের পদমর্যাদাকে কাজে লাগিয়েই ভারতীয় সেনার গোপন তথ্য পাকিস্তানি গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের হাতে তুলে দিতেন। সূত্র মারফত ওই ব্যক্তির কার্যকলাপ জানতে পারে উত্তরপ্রদেশের সন্ত্রাসদমন শাখা। রবিবার দূতাবাসের কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে উত্তরপ্রদেশ এটিএস। 

জানা গিয়েছে, মস্কোর দূতাবাসের ওই কর্মীর নাম সত্যেন্দ্র সিওয়াল। রাশিয়ার (Russia) দূতাবাসে মাল্টি টাস্কিং স্টাফ হিসাবে কর্মরত ছিলেন তিনি। নিজের পদমর্যাদাকে কাজে লাগিয়েই দূতাবাসের সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র বের করতেন। তার পর মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে সেটা পাচার করে দিতেন পাক গুপ্তচর সংস্থার কাছে। মূলত তিন ধরনের তথ্য পাচার করতেন সত্যেন্দ্র। প্রতিরক্ষা ও বিদেশ মন্ত্রকের পরিকল্পনার কথা আগাম ফাঁস করে দিতেন। এছাড়াও দেশের নানা সীমান্তে সেনা মোতায়েন সংক্রান্ত তথ্যও পৌঁছে যেত আইএসআইয়ের হাতে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: কেজরিওয়ালের পর মন্ত্রী অতীশীর বাড়িতে দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ, আরও বিপাকে আপ]

ভারতীয় গোয়েন্দাদের অনুমান, বেশ কয়েকদিন ধরেই তথ্য পাচার করেছেন সত্যেন্দ্র। তাঁকে ধরতেই শুরু হয় বিশেষ অপারেশন। গোয়েন্দা সূত্রের খবর, মোটা টাকার লোভ দেখিয়ে ভারতীয় বিদেশমন্ত্রকের কর্মীদের হাত করার চেষ্টা করছে পাকিস্তান। সেই সূত্র ধরেই সত্যেন্দ্রকে প্রথমে সমন পাঠানো হয় উত্তরপ্রদেশ এটিএসের দপ্তরে। সেখানে তাঁর বয়ানে প্রচুর অসঙ্গতি ধরা পড়ে। লাগাতার জেরার মুখে পড়ে তথ্য পাচারের অভিযোগ স্বীকার করেন সত্যেন্দ্র। সঙ্গে সঙ্গেই গ্রেপ্তার করা হয় তাঁকে।

উত্তরপ্রদেশ সন্ত্রাস দমন শাখার তরফে বিবৃতি প্রকাশ করে গ্রেপ্তারির খবর জানানো হয়। জানানো হয়, সত্যেন্দ্রর মতো আরও অনেক বিদেশ মন্ত্রকের কর্মীদের টাকার লোভ দেখাচ্ছে আইএসআই (ISI)। টাকার বিনিময়ে ভারতের গোপন তথ্য় কিনে নিচ্ছে তারা। গোটা বিষয়টি দেশের নিরাপত্তার জন্য খুবই আশঙ্কাজনক।

[আরও পড়ুন: ৩৬টি হাউথি ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, আমেরিকা ও ব্রিটেনের পাশে ৬ ‘বন্ধু’]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.