৭ শ্রাবণ  ১৪২৬  মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০১৯ 

Menu Logo বিলেতে বিশ্বযুদ্ধ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারত সরকার ও ভারতীয় সেনার বিরুদ্ধে লাগাতার হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছিলেন আল কায়দা প্রধান আয়মান আল জাওয়াহিরি। সেই হুমকিকে মাছি তাড়ানোর ভঙ্গিতে উড়িয়ে দিল ভারত।

[আরও পড়ুন: মনিবকেই ছিঁড়ে খেল ১৮টি সারমেয়! প্রমাণে চোখ কপালে তদন্তকারীর]

বৃহস্পতিবার বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রবীশ কুমার বলেছেন, “এরকম হুমকি আমরা আগেও পেয়েছি। বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠনের কাছ থেকে এরকম ধমকি বা হুমকি প্রায়ই আমরা পেয়ে থাকি। তাই এটা নতুন কিছু নয়। এগুলো ভারত সরকার কোনও গুরুত্বই দিচ্ছে না। কারণ গুরুত্ব দেওয়া বা সিরিয়াসলি নেওয়ারও কিছু হয়নি। শুধু এটুকুই বলতে পারি, আমাদের সেনাবাহিনী ও প্রতিরক্ষা বিভাগ বিশ্বের যে কোনও চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করার জন্য সবসময় তৈরি। সন্ত্রাসবাদের মেতা সমস্যার সঙ্গে আমরা নিয়মিতভাবে সাফল্যের সঙ্গে মোকাবিলা করে থাকি।”

সম্প্রতি ফাউন্ডেশন ফর ডিফেন্স অফ ডেমোক্রেসিস, সংক্ষেপে এফডিডি নামের এক প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত পত্রিকা জানিয়েছে, কাশ্মীরে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ বাড়িয়ে তুলতে চাইছে আল কায়দা। সম্প্রতি, জাওয়াহিরির একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেছে সংগঠনটির মিডিয়া সেল ‘অস শবাব’। ‘কাশ্মীরকে ভুলো না’ শীর্ষক ভিডিওটিতে আল কায়দা প্রধান বলছে, “আমার মতে, এই মুহূর্তে কাশ্মীরি মুজাহিদদের উচিত ভারতীয় সেনার উপর একের পর এক হামলা চালিয়ে যাওয়া। সরকার ও সরকারি বাহিনীর যত বেশি ক্ষতি করা সম্ভব, তত ভাল। মুজাহিদদের উচিত ক্রমাগত হামলা চালিয়ে ভারতীয় অর্থনীতির রক্তক্ষরণ ঘটানো।” তাৎপর্যপূর্ণভাবে, বার্তায় নিহত জঙ্গি জাকির মুসার নাম উল্লেখ করেনি জাওয়াহিরি। তবে ভিডিওতে তার পাশেই মুসার ছবি দেখা গিয়েছে। উল্লেখ্য, গত মে মাসেই কাশ্মীরে জওয়ানদের হাতে নিকেশ হয় উপত্যকায় আল কায়দার মুখ জাকির মুসা।

উল্লেখ্য, এই প্রথম নয়, এর আগেও ভারতের বিরদ্ধে বিষোদ্গার করেছে আল কায়দা প্রধান। জন্মসূত্রে মিশরীয় জাওয়াহিরি ডাক্তারি পাশ করলেও নিরীহ মানুষকে হত্যা করার জন্য সমানে উসকানি দিয়ে যাচ্ছে। এর আগে ২০১৪ সালে ভারতীয় মুসলমানদের জেহাদের নামে সন্ত্রাস ছড়ানোর আবেদন জানিয়েছিল জাওয়াহিরি।

[আরও পড়ুন: যুদ্ধের ক্ষত সারিয়ে দুই কোরিয়াকে ‘এক করতে’ কিমের দেশে ইন-গুক]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং