BREAKING NEWS

৪ আশ্বিন  ১৪২৭  মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

চিনা অফিসারকে সজোরে ঘুসি ভারতীয় জওয়ানের, সামনে এল সীমান্তে মারামারির ভিডিও

Published by: Subhamay Mandal |    Posted: June 23, 2020 12:28 pm|    Updated: June 23, 2020 12:28 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লাদাখে বাড়ছে উত্তেজনা। সোমবারই বেজিং স্বীকার করেছে, ১৫ জুন রাতে গালওয়ান উপত্যকায় দুই সেনার সংঘর্ষে তাদের এক কম্যান্ডিং অফিসারের মৃত্যু হয়েছে। এবার সিকিম সীমান্তে ভারতীয় জওয়ান ও লালফৌজের হাতাহাতির একটি ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে। দাবি উঠছে, ওই ভিডিও সিকিম সীমান্তের। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, বরফে ঢাকা পাহাড়ের উপর হাতাহাতি করছে ভারতীয় ও চিনা সেনা। এক চিনা অফিসারকে ঘুসি মারছেন এক ভারতীয় জওয়ান। তারপরই ধাক্কাধাক্কি করছে দুই পক্ষ। তার মধ্যেই দুই পক্ষেরই কয়েকজন চেঁচিয়ে বলছেন, ‘লড়াই কোরো না, ফিরে যাও’।

ভারতীয় সেনা সূত্রের দাবি, ভিডিওটি সিকিম সীমান্তে তোলা। কিন্তু সেটা কবেকার তা নিয়ে ধন্দ রয়েছে। প্রসঙ্গত, ৯ মে সিকিমের নাকু লা-য় ভারতীয় ও চিনা সেনার ধস্তাধস্তি হয়েছিল। উল্লেখ্য, গালওয়ান উপত্যকায় উত্তেজনার মধ্যেই সিকিম সেক্টরে চোখ রাঙাচ্ছে লালফৌজ। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, কয়েক দিন আগে ডোকলাম মালভূমিতে রেইকি করে গিয়েছে চিনা সেনা। ভুটান সেনার আউটপোস্টে বেশ কিছুক্ষণ তারা সময় কাটিয়ে ডোকলাম পর্যন্ত এগিয়ে আসে। তারপর সেখানকার ভূ-কৌশলগত ছবি তোলে চিনারা। মিনিট তিরিশেক সময় ছিল তারা। ডোকলাম সীমান্তে ৫-৬ জন পিএলএ জওয়ানকে ঘোরাঘুরি করতে দেখা গিয়েছিল বলে নয়াদিল্লি সূত্রে খবর। এবার এই ধস্তাধস্তির ভিডিও ডোকলামের কি না সেটাও স্পষ্ট নয়।

[আরও পড়ুন: যুদ্ধের আবহেই দু’দিনের সফরে লাদাখ যাচ্ছেন সেনাপ্রধান, খতিয়ে দেখবেন নিরাপত্তা ব্যবস্থা]

প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালে এই জুন মাসেই প্রথম ভারত-চিন সংঘাত শুরু হয় ডোকলাম নিয়ে। সেইসময় টানা ৭২ দিন ভারত-চিনের সেনা মুখোমুখি ছিল। তারপর থেকে প্রতি মাসে এক-দুবার লালফৌজ ভুটান-চিন-ভারত সীমান্ত সংযোগকারী এই মালভূমিতে টহল দিয়ে যায়। দু-একদিন থেকে চলে যায়। ভুটান সেনার আউটপোস্টেই থাকে তারা। এ নিয়ে ভারতের তরফে কোনও বাধা দেওয়া হয় না। সেনা আধিকারিকদের কথায়, ডোকলামে ভারতীয় সেনাও টহল দেয়। চিনা সেনাকে বাধা দেওয়ার কোনও প্রশ্ন নেই। কিন্তু ডোকলামে কোনও নির্মাণের মতলব রয়েছে চিনের। পরিস্থিতি বুঝে পদক্ষেপ নিতে হবে।

[আরও পড়ুন: গালওয়ানের সংঘর্ষে নিহত লালফৌজের এক কম্যান্ডিং অফিসার, অবশেষে স্বীকার বেজিংয়ের]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement