Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
সুখোই

এবার প্রতিরক্ষায় ‘আত্মনির্ভর’ ভারত, দেশেই তৈরি হবে সুখোই যুদ্ধবিমান

২৫০টি 'অস্ত্র মার্ক-১' মিসাইলও তৈরি করা হবে দেশেই।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৩, ২০২০, ১৩:২৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৩, ২০২০, ১৩:২৭

options
link
এবার প্রতিরক্ষায় ‘আত্মনির্ভর’ ভারত, দেশেই তৈরি হবে সুখোই যুদ্ধবিমান zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আত্মনির্ভর হওয়ার দিকে আরও একধাপ এগিয়ে গেল ভারত। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) ডাকে সাড়া দিয়ে এবার দেশেই তৈরি হবে অত্যাধুনিক সুখোই যুদ্ধবিমান।

[আরও পড়ুন: চোখে চোখ রেখে জবাব দেবে ভারত, লাদাখে জওয়ানদের মনোবল বাড়ালেন প্রধানমন্ত্রী]

জানা গিয়েছে, এবার রাশিয়ার থেকে অনুমতি নিয়ে দেশেই ১২টি সুখোই যুদ্ধবিমান তৈরি করবে সরকারি বিমান নির্মাণকারী সংস্থা Hindustan Aeronautics Limited (HAL)। এই বিমানগুলিতে থাকবে ‘অত্যাধুনিক টার্গেটিং সিস্টেম ও ওয়ারফেয়ার স্যুট’। এই প্রকল্পে মোট খরচ হবে ১০ হাজার ৭৩০ কোটি টাকা। শুধু তাই নয়, দেশেই তৈরি হবে প্রায় ৩০০টি ‘নির্ভয়’ ক্রুজ মিসাইল। প্রায় ১ হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত আঘাত হানতে সক্ষম এই ক্ষেপণাস্ত্র। তবে নির্ভয় সম্পূর্ণ রূপে কার্যক্ষম হতে দুই থেকে তিন বছর সময় লাগবে। এছাড়া, সুখোই বিমানগুলির জন্য ১৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত আঘাত হানতে সক্ষম ২৫০টি ‘অস্ত্র মার্ক-১’ এয়ার টু এয়ার মিসাইলও তৈরি করা হবে দেশেই।

Advertisement

উল্লেখ্য, পূর্ব লাদাখে চিনা (China) আগ্রাসনের কথা মাথায় রেখে লালফৌজকে কড়া টক্কর দেওয়ার উদ্দেশ্যে বৃহস্পতিবার আরও ৩৩টি অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান কেনার অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্র। ২০১৬ সালে ফ্রান্সের কাছ থেকে ৩৬টি রাফালে যুদ্ধবিমান কেনার চুক্তি স্বাক্ষরের পরে দ্বিতীয় পর্যায়ে এই ৩৩টি যুদ্ধবিমান কিনতে চলেছে ভারতীয় বায়ুসেনা৷ ১২টি Su-30MKI ও ২১টি MiG-29 যুদ্ধবিমান কেনায় সবুজ সংকেত দিয়েছে প্রতিরক্ষামন্ত্রক। এছাড়াও, ৫৯টি MiG-29s যুদ্ধবিমানকে আরও আধুনিক করে তোলার জন্য মোট ১৮ হাজার ১৪৮ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ভারতের প্রতিরক্ষা বাজেট হচ্ছে প্রায় ৫৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর বেশিরভাগটাই খরচ হয় বেতন ও ফৌজের রক্ষণাবেক্ষণে। তাছাড়া, বিদেশ থেকে আমদানি করা হাতিয়ারের দামও বেশি। পাশাপাশি, যুদ্ধের আবহে বিদেশী অস্ত্রনির্মাতারা হাতিয়ারগুলির যন্ত্রাংশ দেবে কি না, তাও নির্ভর করে কূটনৈতিক সম্পর্কের উপর। ফলে, চিনের সঙ্গে সংঘাতের আবহে বিদেশী অস্ত্রের উপর নির্ভরতা ক্রমেই কমিয়ে আনতে বদ্ধপরিকর নয়াদিল্লি।

[আরও পড়ুন: কাশ্মীরে খতম বাঙালি সিআরপিএফ জওয়ানের খুনি ISIS মদতপুষ্ট জঙ্গি]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.