৪ আশ্বিন  ১৪২৭  মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

বিহারের মন্দিরে হামলা চালাতে পারে লস্কর, সতর্ক করল ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: December 14, 2017 9:16 am|    Updated: September 19, 2019 3:10 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জঙ্গিদের নিশানায় একের পর এক ভারতীয় মন্দিরের নাম। ঐতিহ্যশালী মন্দিরগুলিতে হামলা চালিয়ে গুঁড়িয়ে দিতে চাইছে পাক জঙ্গিরা। সীমান্তে সশস্ত্র ভারতীয় সেনাকে হারাতে না পেরে চোরাগোপ্তা হামলা চালিয়ে দেশবাসীর ভাবাবেগে আঘাত করতে চাইছে পাকিস্তান। এবার পাক জঙ্গিদের নিশানায় বিহারের গোপালগঞ্জের এক বিখ্যাত মন্দির।

[যাত্রা শুরু প্রথম স্করপেন সাবমেরিনের, ভারতের সাফল্যে আতঙ্কিত শত্রুরা]

ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো সতর্ক করে জানিয়েছে, লস্কর-ই-তৈবা জঙ্গি গোষ্ঠীর সদস্য শেখ আবদুল নইম ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজন ‘স্লিপার সেল’কে বিহারে ‘অ্যাক্টিভেট’ করেছে। তাদের উপর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, বিহারের থাওয়ে মন্দিরটি বিস্ফোরণে উড়িয়ে দেওয়ার। একটি সর্বভারতীয় দৈনিকে প্রকাশিত খবরে জানানো হয়েছে, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার সদস্যরা ইতিমধ্যেই ওই এলাকায় নিয়মিত নজরদারি শুরু করেছেন। ‘গ্রাউন্ড জিরো’ থেকে রিপোর্ট জমা পড়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের ঘরে। মন্ত্রকের নির্দেশ মতো অবিলম্বে মন্দির চত্বরে অতিরিক্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠিয়ে নিরাপত্তা বলয়কে আরও মজবুত করা হবে।

প্রতি বছর বিহার, ঝাড়খণ্ড, উত্তরপ্রদেশ নেপাল ও এই রাজ্য থেকে লক্ষ লক্ষ পুণ্যার্থী বিহারের ওই মন্দিরে যান। জঙ্গিদের টার্গেট মূলত তাঁরাই। জমায়েতের মধ্যে গায়ে বোমা বেঁধে ঢুকে পড়ে বিস্ফোরণ ঘটানোই জঙ্গিদের টার্গেট। একসঙ্গে যত বেশি পুণ্যার্থীকে হত্যা করা যায়, ততই সফল হবে ‘অপারেশন’। গোয়েন্দাদের কাছ থেকে এই তথ্য পেয়ে উদ্বিগ্ন মন্দির কর্তৃপক্ষ। ভারতের অন্যান্য বহু মন্দিরের মতো এই মন্দিরেও এমন বহু মানুষ গর্ভগৃহের আশেপাশে থাকেন যাঁদের কাছে কোনও সচিত্র পরিচয়পত্রই নেই। স্থানীয় পুলিশও সবসময় তাঁদের খোঁজখবর রাখতে পারে না। কিন্তু এবার কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের সতর্কতা পেয়ে, কর্মীদের নিরাপত্তার দিকে বাড়তি নজর দিচ্ছে স্থানীয় প্রশাসন।

[বড়সড় সাফল্য সন্ত্রাসদমন শাখার, গ্রেপ্তার সন্দেহভাজন লস্কর জঙ্গি]

bihar-mandir

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement