Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
লকডাউন

লকডাউনের চতুর্থ পর্বে বড় ঘোষণা, আন্তঃরাজ্য বাস পরিষেবায় ছাড় কেন্দ্রের

এখনই চালু হচ্ছে না বিমান ও মেট্রো রেলের পরিষেবা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৭, ২০২০, ২২:৩৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৭, ২০২০, ২২:৩৫

options
link
লকডাউনের চতুর্থ পর্বে বড় ঘোষণা, আন্তঃরাজ্য বাস পরিষেবায় ছাড় কেন্দ্রের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সোমবার থেকে দেশে শুরু হবে লকডাউনের চতুর্থ পর্ব। এই পর্বে আন্তঃরাজ্য বাস পরিষেবায় ছাড় দিল কেন্দ্র। তবে বিমান ও মেট্রো পরিষেবার ক্ষেত্রে বহাল থাকল পুরোনো নির্দেশিকাই।

দেশের প্রতিটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ৩১ মে পর্যন্ত লকডাউন বহাল রাখার কথা ঘোষণা করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক (Home Ministry)। তবে লকডাউনের মেয়াদকাল বৃদ্ধির ঘোষণার সঙ্গে প্রকাশ করে নয়া নির্দেশিকাও। সেই নির্দেশিকা অনুযায়ী, আন্তঃরাজ্য বাস পরিষেবায় ছাড় দেওয়া হয় লকডাউনের চতুর্থ পর্বে। তবে রাজ্যগুলির মধ্যে মেট্রো ও বিমান পরিষেবা বাতিল থাকবে। লকডাউনের চতুর্থ পর্বে আন্তঃরাজ্য বাস পরিষেবা সচল করে দেওয়ায় রাজ্যের অভ্যন্তরে আটকে থাকা মানুষেরা স্বস্তি পাবেন বলেই মনে করছেন অনেকে। কারণ, লকডাউনের জেরে ভিন রাজ্য বা ভিন দেশে না হোক জেলার অভ্যন্তরেই অনেকে আটকে রয়েছেন। তাই বাস পরিষেবা সচল হলে যাতায়াতে অনেক সুবিধা হবে। একই ভাবে পারস্পরিক সমঝোতার প্রেক্ষিতে রাজ্যগুলির মধ্যেও গাড়ি চলতে পারে। তবে কোনও রাজ্য সরকার চাইলে নিজের রাজ্যের মধ্যে বাস ও অন্যান্য গাড়ি চলাচলে অনুমতি দিতে পারে। সেক্ষেত্রে কী নিয়ম মেনে চলতে হবে তা রাজ্যই ঠিক করে দেবে। এছাড়া স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর রয়েছে তা মেনেই রাজ্যের মধ্যে বাস বা অন্যান্য গাড়ি যাতায়াত করবে।

Advertisement

[আরও পড়ুন:উদ্বেগ বাড়াচ্ছে কলকাতা, শহরে আক্রান্তের সংখ্যা ১৩০০ ছাড়াল]

নির্দেশিকাতে আরও জানানো হয়, দেশের মধ্যে ও আন্তর্জাতিক বিমান পরিষেবা পুরোপুরি বন্ধ থাকবে। একমাত্র চিকিৎসার প্রয়োজনে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স ছাড়া কোনও যাত্রাবাহী বিমান চলবে না। স্কুল, কলেজ, কোচিং সেন্টার সমস্ত বন্ধ থাকবে। চালু থাকবে অনলাইন পঠনপাঠনের ব্যবস্থা। হোটেল, রেস্তোরাঁ ইত্যাদি সবই বন্ধ থাকবে। কেবলমাত্র যে সব হোটেল, গেস্ট হাউজে চিকিৎসা কর্মীদের রাখা হয়েছে সেগুলি কোয়ারেন্টাইন সেন্টার হিসাবে খোলা থাকবে।

[আরও পড়ুন:পরিযায়ীদের হেঁটে ফেরা ঠেকাতে তৎপর কেজরিওয়াল, কড়া নির্দেশ আধিকারিকদের]

তৃতীয় দফার লকডাউন ঘোষণার সময়েই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক জানিয়েছিল যে, সরকারি ও বেসরকারি অফিস ৩৩ শতাংশ কর্মী নিয়ে খোলা যাবে। তবে কর্মীদের ফোনে আরোগ্য সেতু অ্যাপ থাকা বাধ্যতামূলক বলে জানায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। চার চাকার গাড়িতে ২ জন এবং মোটর সাইকেলে ১জন যাতায়াত করতে পারবেন। চতুর্থ দফায় সেই সব নিয়ম অপরিবর্তিত থাকছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.