নন্দিতা রায়, নয়াদিল্লি: পশ্চিমবঙ্গের পরিস্থিতি নিয়ে ফের উদ্বেগ প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বাংলার পরিস্থিতির দিকে নজর রাখা এবং তা নিজ নিজ রাজ্যে তুলে ধরার জন্যও দলের সব সাংসদকে নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। সেই সঙ্গে বাংলার সাংসদদের বিশেষ কিছু পরামর্শ দিয়েছেন মোদি। বাংলায় দলের ভিত শক্ত করতে সাংসদদের ধর্মীয় এবং সামাজিক, দুই বিষয়ের সঙ্গেই যুক্ত হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে তিনি চান, সবার আগে দুর্গাপুজোকেই রাখা হোক। তাছাড়া, অন্য পুজোগুলির সঙ্গেও নিজেদের যুক্ত করতে হবে বলে বাংলার সাংসদদের উদ্দেশে বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
[আরও পড়ুন: অযোধ্যা মামলায় বাড়ল মধ্যস্থতার সময়, পরবর্তী শুনানি ২ আগস্ট ]
সংসদের চলতি অধিবেশনের শুরু থেকেই দলীয় সাংসদদের সঙ্গে ভাগে ভাগে প্রায়ই বৈঠক করছেন প্রধানমন্ত্রী। দিল্লির লোককল্যাণ মার্গে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে দলীয় সাংসদদের সঙ্গে ‘প্রাতরাশ বৈঠক’ সারছেন তিনি। বৃহস্পতিবারও চল্লিশ জন সাংসদের একটি দলের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী। এদিনের দলে বাংলার তিন সাংসদ খগেন মুর্মু, সুভাষ সরকার এবং অর্জুন সিং হাজির ছিলেন। সেই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বাংলাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন বলে সূত্রের খবর। সাম্প্রতিককালে বাংলার বিভিন্ন ঘটনা নিয়ে রাজ্যের সাংসদরা প্রধানমন্ত্রীকে অভিযোগ জানিয়েছেন। তাঁর এদিনের পরামর্শ সেই পরিপ্রেক্ষিতে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
আগের দিনের বৈঠকে মোদি যেভাবে তাঁর সাংসদদের উদ্ভাবনী কিছু করার পরামর্শ দিয়েছিলেন, এদিনও দিয়েছেন। উদাহরণস্বরূপ সাংসদদের তিনি নিজের এলাকার স্কুলগুলিতে প্রবেশদ্বারে আয়না লাগানোর ব্যবস্থা করার পরামর্শ দিয়েছেন, যাতে স্কুলে ঢোকার আগে পড়ুয়ারা নিজেদের একবার দেখে নিতে পারে তারা কী চেহারায় স্কুলে ঢুকছে। এতে পড়ুয়াদের মধ্যে পরিষ্কার, পরিচ্ছন্ন হয়ে স্কুলে আসার প্রবণতা বৃদ্ধি পাবে বলে মত প্রধানমন্ত্রীর। এদিকে, বাংলা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর উদ্বেগ প্রকাশ করা এবং সারা দেশে বাংলার কথা তুলে প্রচার করার বিষয়টিকে ভাল চোখে দেখছে না রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল শিবির। দলের তিনবারের সাংসদ এবং মুখপাত্র কাকলি ঘোষদস্তিদার টুইট করেছেন, “দুর্ভাগ্যজনক। বাংলার পরিস্থিতি প্রধানমন্ত্রী কম বোঝেন। আর উনি বলছেন সারা দেশে বাংলার বদনাম করতে। বিজেপি অ্যান্টি বেঙ্গল। তাই ওরা শুধু বাংলার বদনাম করে।”
একনজরে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশাবলী-
- সাংসদদের যুক্ত হতে হবে সব সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানের সঙ্গে।
- বাংলার রাজনৈতিক হিংসার কথা সাংসদদের গোটা দেশে প্রচার করতে হবে।
- এলাকার স্কুলগুলির গেটে আয়না লাগানোর ব্যবস্থা করতে হবে সাংসদদের। যাতে ছাত্রছাত্রীরা স্কুলে ঢোকার আগে নিজেদের চেহারা দেখে নিতে পারে। এতে সামগ্রিক পরিচ্ছন্নতা বাড়বে।
সর্বশেষ খবর
-
চতুর্থ পর্যায়ের ক্যানসার, তবু থামেনি লড়াই, স্বাভাবিক জীবনে ফিরলেন প্রাক্তন বাস্কেটবল খেলোয়াড়
-
‘সীমা পার করলে বুঝিয়ে দিতে হবে’, গুঁতো বিতর্কে হুমকি যশস্বীর, পড়লেন শাস্তির মুখে
-
কাঁধ পর্যন্ত ঝাঁকরা সোনালি চুল গায়েব হালান্ডের, নতুন রূপের জন্য ‘হুমকি’ও পেলেন নরওয়ে তারকা
-
পোড়ার ক্ষত শুকোলেও শেষ নয় লড়াই, অগ্নিদগ্ধদের পাশে ডিসানের ‘ফিনিক্স’
-
তৃণমূলের ‘টার্গেটে’ বিজেপি নেতা! বাড়িতে বোমাবাজি, রেখে গেল সাদা থান-হুমকি চিঠি