কিছু দিন আগেই ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি চূড়ান্ত করেছে নয়াদিল্লি। ঘটনাচক্রে, তার পরেই ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তির ঘোষণা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড। এবার পশ্চিম এশিয়ার ‘উপসাগরীয় সহযোগিতামূলক পর্ষদ’ (গাল্ফ কোঅপারেশন কাউন্সিল বা সংক্ষেপে জিসিসি)-এর সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে আলোচনা শুরু করল ভারত।
সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, কাতার, কুয়েত, ওমান এবং বাহরিন, এই ছ’টি দেশ নিয়ে উপসাগরীয় সহযোগিতামূলক পর্ষদ গঠিত। জিসিসি-র সঙ্গে ভারতের দ্বিপাক্ষিক চুক্তি রয়েছে। ২০২৪-‘২৫ সালে তা বহর ছুঁয়েছে ১৭ হাজার ৯০০ কোটি মার্কিন ডলারে। সম্প্রতি জিসিসি-র সঙ্গে নয়াদিল্লির যে আলোচনা শুরু হয়েছে, তা মূলত মুক্ত বাণিজ্য (ফ্রি ট্রেড এগ্রিমেন্ট বা সংক্ষেপে এফটিএ) নিয়ে। অর্থাৎ, এই চুক্তি চূড়ান্ত হলে ওই ছ’টি উপসাগরীয় দেশে বিনা শুল্কে পণ্য রপ্তানি করতে পারবে ভারত।
আরও পড়ুন:
গত বৃহস্পতিবারই জিসিসি-র সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য নিয়ে আলোচনা শুরুর প্রাথমিক চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। সেখানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল। তিনি বলেন, “পাঁচ হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে এই দেশগুলির সঙ্গে বাণিজ্য করে এসেছে ভারত। নতুন চুক্তি স্বাক্ষরিত হলে দু’পক্ষের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও মজবুত হবে।”
মন্ত্রী জানান, বিশ্বের যে সব দেশ খাদ্যশস্য উৎপাদনে এগিয়ে, সেই তালিকায় একেবারেই শুরুর দিকেই রয়েছে ভারত। অন্যদিকে, জিসিসি-র দেশগুলি মূলত তেল এবং গ্যাস রপ্তানি করে। চুক্তি স্বাক্ষরিত হলে দু’পক্ষই উপকৃত হবে। প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ এবং রাষ্ট্রসংঘের উপদেষ্টা জেফ্রি স্যাক্স বলেন, “উপসাগরীয় এলাকা ভারতের জন্য বড় বাজার। দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার অর্থনীতির বহর বাড়ছে। চিনের সঙ্গেও ভারত বাণিজ্য করতে পারে। একই ভাবে পশ্চিম এশিয়াও ভারতের জন্য ভালো হবে। তাই শুধু আমেরিকার বাজারের উপর ভারতকে নির্ভরশীল না হলেও চলবে।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
‘নাটক বন্ধ হোক’, কমিশনে ‘ভোটচুরি’ বিতর্কে টিএন সেশন তুলে কংগ্রেসকে পালটা বিজেপির
-
আগামী ৬ মাসে সুপার এল নিনো কাড়বে সাড়ে ৪ লক্ষ প্রাণ! রিপোর্ট ঘিরে আতঙ্ক
-
সলমনের রোষানলে খতম কেরিয়ার! ‘অভিশপ্ত’ ঐশ্বর্য অধ্যায় ভুলে প্রথমবার ভাইজানের পাশে বিবেক ওবেরয়
-
আয়ুষ্মানের কিনে দেওয়া রাইফেলে সাফল্য, এশীয় মঞ্চে সোনাজয়ী মেঘনার নেপথ্য কারিগর অভিনেতাই?
-
বিরাটই প্রেরণা রুপোর ছেলের, কুস্তির আখড়া থেকে শুটিংয়ে গিয়ে জোড়া রুপো হিমাংশুর