Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
ইন্ডিগো

‘লকডাউনের অর্থনৈতিক ধাক্কা সামলাতে সময় চাই আরও ২ বছর’, জানালেন IndiGo প্রধান

বিমানে যাত্রীদের সংক্রমণের আশঙ্কা কম বলেই জানান ইন্ডিগোর সিইও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৯, ২০২০, ১৪:০৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৯, ২০২০, ১৪:০৯

options
link
‘লকডাউনের অর্থনৈতিক ধাক্কা সামলাতে সময় চাই আরও ২ বছর’, জানালেন IndiGo প্রধান zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আনলকে আন্তঃরাজ্য বিমান পরিষেবা শুরু হলেও তা স্বাভাবিক হয়নি। হাতে গোনা কয়েকটি রুটে কম সংখ্যক বিমান পরিষেবার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে যে হারে সংক্রমণ বাড়ছে তাতে কবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে? কবে মিটবে অর্থনৈতিক ধাক্কা তা নিয়ে মুখ খুললেন ইন্ডিগো (IndiGo) বিমান সংস্থার প্রধান রণজয় দত্ত (Ronojoy Dutta)।

দীর্ঘ লকডাউনে আটকে থাকার পর হাতে গোণা কয়েকটি রুটে আন্তঃরাজ্য বিমান পরিষেবার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে ১৮- ২৪ মাস সময় লাগবে বলেই জানান ইন্ডিগো বিমান সংস্থার প্রধান রণজয় দত্ত। তিনি আরও বলেন, “এই মুহূর্তে ইন্ডিগো এয়ারলাইন্স খরচ কমানোর দিকেই বেশি জোর দিচ্ছে, যাতে এই সংকটের মুহূর্ত থেকে দ্রুত বেরিয়ে আসা যায়।” তাঁর মতে, “এই মুহূর্তে মানুষ একান্ত প্রয়োজন ছাড়া কোথাও যাতায়াত করছেন না। করোনা আতঙ্কের মধ্যে শুধুমাত্র বেড়াতে যাওয়ার জন্যে বিমান পরিষেবা নেওয়ারই দাবি উঠছে। হাজার সতর্কতা নিলেও মানুষের মনে বাসা বেঁধে রয়েছে করোনা সংক্রমণের ভয়। তবে বিমান যাত্রায় এক যাত্রী থেকে অন্যের মধ্যে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে কম। কারণ, প্রতিটি আসনেরই মধ্যে ফাঁক থাকছে যা এক যাত্রীর সঙ্গে অন্য যাত্রীর মধ্যে দূরত্ব তৈরি করে। বিমানে কোনও যাত্রীর মুখোমুখি বসার সম্ভাবনাও নেই। বিমানে ব্যবহার করা হয় হাই এফিশিয়েন্সি পার্টিকুলেট এয়ার ফিল্টার। ফলে সবদিক থেকেই সংক্রমণের আশঙ্কা কম।”

Advertisement

[আরও পড়ুন:মাঝে একদিনের ‘বিরতি’, সোমবার ফের বাড়ল পেট্রল-ডিজেলের দাম]

তবে বিমানে এত কিছু ব্যবস্থা করা হলেও বিশ্বে যতদিন না অতিমারীর আশঙ্কা কমছে ততদিন বিমানের ব্যবসার লাভের মুখ দেখবে না বলেই সাফ জানিয়ে দিলেন ইন্ডিগো বিমান সংস্থার প্রধান। এক্ষেত্রে প্রশ্ন হল ব্যবসাকে টিকিয়ে রাখতে কীভাবে সংস্থার খরচ কমানোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে? উত্তরে রণজয় দত্ত জানান, সহযোগী সংস্থাগুলির সঙ্গে চুক্তির রদবদল করার পাশাপাশি, বেতন কমানো, অপ্রয়োজনীয় খরচ বাদ দেওয়া এবং সংস্থার তরফে কিছু ক্যাপিটল এক্সপেনডিচার প্রজেক্ট পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার হয়েছে। একই সঙ্গে ইন্ডিগো পুরনো A-320 ceos পাল্টে নতুন A-320neos নিয়ে আসছে যাতে খরচ কমানো যায় এবং সাপ্লিমেন্টারি রেন্টাল বন্ধ করা যায়। এভাবেই করোনার জেরে অর্থনৈতিক মন্দার মুখে দাঁড়িয়ে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে এই এয়ারলাইন্স।

[আরও পড়ুন:নেপাল সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশের চেষ্টায় পাকিস্তানে প্রশিক্ষিত জঙ্গিরা! বিহারজুড়ে হাই-অ্যালার্ট]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.