Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
কাশ্মীর

প্রাণের মায়া! জঙ্গিদের চাপের মুখে পদত্যাগ সোপোরের মহিলা পঞ্চায়েত প্রধানের

ঘটনার ভিত্তিতে একটি এফআইআর দায়ের করা হয়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৬, ২০২০, ১৫:২৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৬, ২০২০, ১৫:২৯

options
link
প্রাণের মায়া! জঙ্গিদের চাপের মুখে পদত্যাগ সোপোরের মহিলা পঞ্চায়েত প্রধানের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জঙ্গিদের চাপের মুখে পদত্যাগের ইচ্ছাপ্রকাশ জম্মু-কাশ্মীরের এক পঞ্চায়েত প্রধানের (sarpanch)। ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিও, খবরটি প্রকাশ্যে আনে। যা স্বচক্ষে দেখে শিউরে উঠেছেন নেটিজেনরা। ভিডিও-র মহিলা পঞ্চায়েত প্রধান সোপোরের বাসিন্দা বলে জানা যায়।

জানা যায়, সোপোরের সিমপোরা (Sempora) গ্রামে স্বামী ও চার সন্তানদের সঙ্গে থাকতেন এই মহিলা পঞ্চায়েত প্রধান। গত সপ্তাহে মহিলার বাড়িতে একা থাকার সুযোগ নিয়ে তাঁকে অপহরণ করে নিয়ে যায় একদল জঙ্গি। সূত্রের খবর, মহিলাকে অপহরণের পর পাশের একটি বাগানে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই বন্দুকের নলের সামনে বসিয়ে তাঁকে পদত্যাগ করার আরজি জানাতে বাধ্য করা হয়। এখানেই শেষ নয়, বিশ্বের সামনে নিজেদের কীর্তি প্রকাশ করতে সেই ঘটনারই একটি ভিডিও বানায় জঙ্গিরা। এই ভিডিওতেই মহিলাকে হাত জোর করে ভয়ে আকুতি জানাতে শোনা যায়। ভিডিওতে মহিলা অনুরোধ জানানোর পাশাপাশি তাঁর সঙ্গে একটি পুরুষ কন্ঠস্বরও শোনা যায়। মহিলা অনুনয়ের সুরে জানান, “আমি আর বোমাই পঞ্চায়েতের সদস্য হয়ে থাকতে চাইনা। ক্ষমা চাইছি। আমি দ্রুত পদত্যাগ করতে চাই। আমি গরিব মহিলা। আমায় দয়া করে মারবেন না।”

Advertisement

 

মহিলার এই কাতর অনুরোধের পর পুরুষ কন্ঠে শোনা যায়, “তুমি একজন মহিলা। আমার মায়েরও বয়স তোমার মতই। তাই এবারের মত তোমার প্রাণ ভিক্ষা দিলাম। তবে এটাই শেষবারের মত সতর্ক করছি।” তাতেই ডুকরে কেঁদে ওঠেন এই পঞ্চায়েত সদস্য। ফের প্রাণভিক্ষা চান জঙ্গিদের কাছে। পুলিশ সূত্রে খবর, দুষ্কৃতীদের কবল থেকে ছাড়া পেয়েই মহিলা এলাকা ছেড়ে সপরিবারে শ্রীনগরে চলে যান। সোপোরের পুলিশ আধিকারিক ইকবাল জানান, “একটি এফআইআরও দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে।”

[আরও পড়ুন:তাজ্জব কাণ্ড! ২৫০ জনকে কামড়ে আজীবন ‘কারাবাসে’ মদ্যপ হনুমান]

জানা যায়, বোমাইয়ের একমাত্র মহিলা পঞ্চায়েতের সদস্য ছিলেন তিনি। ফলে প্রশ্ন উঠছে পুরুষতান্ত্রিক সমাজে গণতন্ত্রের ধ্বজা ওড়ানোর চেষ্ঠাই কি এই মহিলার ভুল? এর ফলেই কী মৃত্যুর সামনে দাঁড়িয়ে প্রাণভিক্ষা চাইতে হল তাঁকে? তাহলে সমাজে আর কীসের সমান অধিকার! সন্তানদের প্রাণ বাঁচাতেই সমাজ ছেড়ে ফের পর্দার আড়ালে প্রবেশ করতে হল এই মহিলাকে। এটাই চরম লজ্জার।

[আরও পড়ুন:করোনা-সহ একাধিক ইস্যুতে কেন্দ্রকে তোপ, জরুরি বৈঠকে বসছে কংগ্রেসের ওয়ার্কিং কমিটি]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.