সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লকডাউনের জেরে ধাক্কা খেয়েছে অর্থনীতি। থমকে গিয়েছে উৎপাদন। কাজ হারিয়েছেন বহু শ্রমিক। স্রেফ শ্রমিকই নয়, কাজ হারিয়েছেন (Job) বহু অন্য পেশাদাররাও। সেন্টার ফর মনিটরিং ইন্ডিয়ান ইকনমি (CMII)-র সর্বশেষ রিপোর্ট বলছে, লকডাউনে (Lock Down) চাকরি খুইয়েছেন ৬০ লক্ষ ‘হোয়াইট কলার’ কর্মী। মে থেকে আগস্ট পর্যন্ত তথ্য রয়েছে রিপোর্টে।
করোনা সংক্রমণের গতি রোধ করতে মার্চ মাসের শেষের দিকে দেশজুড়ে লকডাউন ঘোষণা করেছিল মোদি সরকার। তারপর থেকেই বন্ধ উৎপাদন। এখনও একাধিক বিধিনিষেধে মধ্যে গড়িয়ে-গড়িয়ে চলছে অর্থনীতির চাকা। লকডাউনের জেরে কাজ হারিয়ে বাড়ি ফিরেছেন বহু মানুষ। তাঁদের মধ্যে বেশিরভাগই পরিযায়ী শ্রমিক। কিন্তু সংস্থার রিপোর্ট বলেছে দুর্দশার মধ্যে শুধুমাত্র পরিযায়ীরাই নয় পড়েছেন ইঞ্জিনিয়ার, ডাক্তার, শিক্ষক, অ্যাকাউন্টেন্টের মতো পেশাদাররাও।
[আরও পড়ুন : হরসিমরত কৌরের পর এবার দুষ্মন্ত চৌটালা! কৃষি বিল ইস্যুতে চাপে বিজেপির আরেক জোটসঙ্গী]
সিএমআইই-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, জানুয়ারি-এপ্রিল ২০১৬-তে দেশে উচ্চপদস্থ চাকুরিজীবীর সংখ্যা ছিল ১.২৫ কোটি। সেটা মে-অগস্ট ২০১৯ সালে গিয়ে হয়েছিল ১.৮৮ কোটি। সেপ্টেম্বর-ডিসেম্বর ২০১৯ এ এই সংখ্যাটি ছিল ১.৮৭ কোটি। এরপর জানুয়ারি-এপ্রিল মাসে এই পরিসংখ্যান কমে হয় ১.৮১ কোটি। তবে সবচেয়ে চমকে দেওয়া তথ্য মিলেছে ২০২০ সালের মে-আগস্ট মাসে। এই চার মাসে বিভিন্ন পেশার পদস্থ কর্মীর সংখ্যা কমে হয়েছে ১.২২ কোটি। অর্থাৎ করোনার জেরে ৫৯ লক্ষ পেশাদার চাকরি হারিয়েছেন। সেখানে আরও বলা হয়েছে, গত বছরের একই সময়কালের তুলনায় প্রায় ৬৬ লক্ষ চাকরি কমেছে। বেকারত্ব বেড়েছে ২৬ শতাংশ। এই পরিসংখ্যানটি তাও শুধু যারা কোনও সংস্থায় চাকরি করতেন তারা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
[আরও পড়ুন : প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে বড় সিদ্ধান্ত! ৭৪ শতাংশ প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগে ছাড়পত্র কেন্দ্রের]
সর্বশেষ খবর
-
গুজরাটে ‘ভুতুড়ে’ বুলডোজারে গুঁড়িয়ে গেল ১০০ বাড়ি! পুরসভা বলল, ‘আমরা জানিই না’
-
পরপর পদত্যাগের পর চেয়ারম্যানের মুখে বিজেপির প্রশংসা, তৃণমূলের বেদখল দমদম উত্তর পুরসভা
-
শপিংমল-পার্কে ঘুরছে বুনো ভাল্লুক! আতঙ্কে স্তব্ধ শহর, বন্ধ ১০০ স্কুল, দিশেহারা প্রশাসন
-
তৃণমূল কার্যালয়ে শাড়ির স্তূপ, অতিথিশালায় মিলল কন্ডোমের প্যাকেট! হুলস্থূল বাঁকুড়ায়
-
তৃণমূল আমলে সীমাহীন দুর্নীতি! ১০০ দিনের কাজে স্বচ্ছতায় জেলাশাসকদের কড়া নির্দেশ মুখ্যসচিবের