১৪ আশ্বিন  ১৪২৭  বৃহস্পতিবার ১ অক্টোবর ২০২০ 

Advertisement

‘মাসের পর মাস দেখাই করেননি’, দলত্যাগের দায় রাহুলের উপর চাপালেন সিন্ধিয়ার ভাই

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: March 11, 2020 10:14 am|    Updated: March 11, 2020 10:14 am

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার কংগ্রেস ত্যাগের দায় ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বর্তাচ্ছে সেই রাহুল গান্ধীর উপরই। ত্রিপুরার প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভপতি তথা রাজ পরিবারের সদস্য প্রদ্যৎ মাণিক্য দেববর্মার(Pradyot Manikya Debbarma) দাবি, দলত্যাগের আগে মাসের পর মাস রাহুলের সঙ্গে দেখা করার অপেক্ষায় ছিলেন সিন্ধিয়া। কিন্তু, প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি সিন্ধিয়ার সঙ্গে দেখাই করেননি। রাহুল অকস্মাৎ পদত্যাগ করে দলের তরুণ নেতাদের অনাথ করে দিয়েছেন।

Jyotiraditya-Scindia
ত্রিপুরার রাজ পরিবারের সদস্য প্রদ্যোৎ মাণিক্য দেববর্মা সম্পর্কে সিন্ধিয়ার মাসতুতো ভাই। তিনিও রাহুল গান্ধীর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ নেতাদের মধ্যে একজন ছিলেন। রাহুলই (Rahul Gandhi) তাঁকে দলে আনেন, এবং ত্রিপুরার প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি করেন। তাঁর নেতৃত্বে রাতারাতি ত্রিপুরায় সাংগঠনিক ক্ষমতা বাড়িয়ে ফেলে কংগ্রেস। অন্য দল থেকে বহু মানুষ যোগদানও করেন। তাৎপর্যপূর্ণভাবে ২০১৯ লোকসভায় বিধানসভার তুলনায় ভাল ফল করে কংগ্রেস। কিন্তু, এনআরসি এবং সিএএ ইস্যুতে মতবিরোধের জন্য প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতিত্ব ত্যাগ করেন প্রদ্যোৎ। এখন কংগ্রেসে থাকলেও, তিনি আর সক্রিয় নন।

[আরও পড়ুন: বিজেপির দিকে পা বাড়িয়ে ১৩ বিধায়ক? মধ্যপ্রদেশের পর আরও এক রাজ্যে চাপে কংগ্রেস]

সিন্ধিয়ার(Jyotiraditya Scindia) দলত্যাগ প্রসঙ্গে এক ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, “আমি জানি সিন্ধিয়া অনেকদিন ধরে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে দেখা করার চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু, মাসের পর মাস তিনি সাক্ষাৎ পাননি। আমাদের কথা যদি শুনতেই না চান, তাহলে কেন আমাদের দলে আনলেন।” মঙ্গলবার সকালের দিকে আরও একটি ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছিলেন,”আমি কাল রাতেই সিন্ধিয়ার সঙ্গে কথা বলছিলাম। ও আমাকে বলল, আমি মাসের পর মাস অপেক্ষা করলাম। কিন্তু, রাহুল একটু সময়ও দিল না।” প্রদ্যোৎ আরও বলেন, “আমি যখন ত্রিপুরা প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির পদ ছাড়লাম তখনও বলেছিলাম, রাহুল এভাবে পদত্যাগ করায় তরুণরা অনাথ হয়ে গিয়েছে। রাহুল হঠাৎ পদত্যাগ করে আমাদের দিশাহীন করে দিয়েছে। হঠাৎই আমাদের গুরুত্ব কমে যায়, এবং তথাকথিত হোমড়াচোমড়ারা গুরুত্ব পাওয়া শুরু করেন।”

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement