Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
অরবিন্দ কেজরিওয়াল

‘মাদ্রাসা-স্কুলে হনুমান চালিশা পাঠ বাধ্যতামূলক করুন’, কেজরিওয়ালকে পরামর্শ কৈলাসের

হনুমানজিকে নিয়ে সরগরম রাজধানীর রাজনৈতিক মহল।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২০, ১০:৩৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২০, ১০:৩৭

options
link
‘মাদ্রাসা-স্কুলে হনুমান চালিশা পাঠ বাধ্যতামূলক করুন’, কেজরিওয়ালকে পরামর্শ কৈলাসের zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হনুমানজিকে নিয়ে সরগরম রাজধানীর রাজনৈতিক মহল। তাই এবার স্কুল, মাদ্রাসাতেও হনুমান চালিশা পাঠ বাধ্যতামূলক করার পরামর্শ দিলেন কৈলাস বিজয়বর্গীয়। টুইটে অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল জয়ের জন্য শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিজেপি নেতা। একইসঙ্গে হনুমান চালিশা পাঠের পরামর্শ দেন তিনি। হনুমানজিকে নিয়ে বিতর্কে জড়ানোর ফলে কেজরিওয়ালকে খোঁচা দিতে হনুমান চালিশা পাঠের কথা কৈলাস বলেছেন বলেই দাবি রাজনৈতিক মহলের।

দিল্লির রাজনীতির অলিন্দে কান পাতলে শুধুই শোনা যাচ্ছে হনুমানজির নাম। সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময় হনুমান চালিশা পাঠ করে বিতর্কিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের তালিকায় নিজের নাম যোগ করেছিলেন আপ সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়াল। গত মঙ্গলবার নির্বাচনের ফলপ্রকাশের পরেও হনুমানজিকে স্মরণ করেছিলেন তিনি। তৃতীয়বারের জন্য দিল্লির মসনদে বসতে চলা অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে এবার হনুমান চালিশা পাঠ নিয়ে পরামর্শ দিলেন বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়। টুইটে সেকথা উল্লেখ করেন তিনি।

Advertisement

দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনের ৭০টি আসনের মধ্যে ৬২টি নিজেদের দখলে রেখেছে আপ। বিপুল জয়ের জন্য টুইটে কেজরিওয়ালকে শুভেচ্ছা জানান তিনি। দিল্লির স্কুল এবং মাদ্রাসাগুলি নিয়ে পরামর্শও দেন কৈলাস। তিনি টুইটে লেখেন,”যাঁরাই হনুমানজির কাছে প্রার্থনা করেন, তাঁরাই আশীর্বাদ পান। কেনই বা শিশুরা হনুমানজির আশীর্বাদ থেকে বঞ্চিত হবে? তাই অবিলম্বে স্কুল, মাদ্রাসা-সহ অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতেও হনুমান চালিশা পাঠের বন্দোবস্ত করুন।” যদিও বিজেপি নেতার পরামর্শে এখনও পর্যন্ত পালটা কোনও প্রতিক্রিয়া দেননি কেজরিওয়াল।

রাজনৈতিক মহলের মতে, ধর্মীয় রাজনীতিকে হাতিয়ার করেই নিজেদের জমি শক্ত করাই লক্ষ্য বিজেপির। তাই তারা হনুমানজি নিয়ে নানা পরামর্শ দিচ্ছেন কেজরিওয়ালকে। এভাবে পরোক্ষে যে ধর্মীয় রাজনীতিকেই আরও জোরাল করে তুলছে গেরুয়া শিবির, কৈলাস বিজয়বর্গীয় পরামর্শে তা জলের মতো পরিষ্কার।

[আরও পড়ুন: ধর্মনিরপেক্ষতার ‘দোহাই’, সরকার পরিচালিত মাদ্রাসা বন্ধ হচ্ছে অসমে]

এদিকে, ১৬ ফেব্রুয়ারি দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী পদে তৃতীয়বারের জন্য শপথ নিতে চলেছেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। রবিবার রামলীলা ময়দানে শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠান হবে। তাঁর শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠানে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ বিভিন্ন রাজ্যের বিজেপি বিরোধী মুখ্যমন্ত্রীরা হাজির থাকবেন। কেজরিওয়ালের শপথের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে শনিবারই দিল্লি উড়ে যাওয়ার কথা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.