Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Kanpur

অবৈধ সম্পর্ক সন্দেহে স্ত্রীকে খুন, কাঁদতে কাঁদতে থানায় হাজির যুবক বললেন, ‘স্যর, বউকে গলা টিপে মেরেছে’

পড়শি একাধিক যুবকের সঙ্গে স্ত্রীর শারীরিক সম্পর্ক ছিল, দাবি অভিযুক্ত যুবকের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৭, ২০২৬, ১৯:৩২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৭, ২০২৬, ১৯:৩২

options
link
অবৈধ সম্পর্ক সন্দেহে স্ত্রীকে খুন, কাঁদতে কাঁদতে থানায় হাজির যুবক বললেন, ‘স্যর, বউকে গলা টিপে মেরেছে’ zoom
ফাইল চিত্র।

“স্যর, স্ত্রীকে গলা টিপে খুন করেছি। বাড়িতে কম্বল জড়ানো দেহ পড়ে আছে।” শনিবার সকালে কাঁদতে কাঁদতে কানপুরের মহারাজপুর থানায় ঢুকে কর্তব্যরত পুলিশ আধিকারিককে এমনটাই বললেন এক যুবক। তাঁর কথা মতো বাড়ি পৌঁছে তরুণীর মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে গ্রেপ্তার করা হয় অভিযুক্তকে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, পড়শি একাধিক যুবকের সঙ্গে স্ত্রীর শারীরিক সম্পর্ক রয়েছে বলে সন্দেহ করতেন স্বামী। শুক্রবার রাতে বচসার মধ্যেই বউকে গলা টিপে খুন করেন তিনি।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত ২২ বছরে শচীন। মৃতা তরুণীর নাম স্বেতা। তাঁরা আদতে ফতেপুর জেলার মোহনপুর গ্রামের বাসিন্দা। পরিবারের আপত্তি উড়িয়ে আইনানুগ বিয়ে করেন। এক সময় কারাখানার শ্রমিকের কাজ করলেও কানপুরে আসার পর অটো রিক্সা চালানো শুরু করেন শচীন। তিনি দাবি করেন, গত কয়েক মাসে মাঝেমাঝেই নিজের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট টাকা রাখছিলেন স্বেতা। টাকার উৎস সম্পর্কে প্রশ্ন করলে উত্তর দিতেন ঠাকুমা দিয়েছে। যদিও শচীন-স্বেতা ভাড়া বাড়ির আশাপাশে থাকা তরুণ শিক্ষার্থীদের নিয়ে সন্দহে দানা বাঁধছিল শচীনের মধ্যে।

Advertisement

পুলিশের কাছে শচীন জানিয়েছেন, একদিন পরীক্ষা করে দেখবেন বলে স্বেতাকে মিথ্যে কথা বলেন। জানান, বন্ধুদের সঙ্গে পার্টি করবেন ফলে রাতে বাড়ি ফিরবেন না। এর পর মাঝরাতে বাড়ি ফিরে প্রতিবেশী দুই যুবকের সঙ্গে স্বেতাকে আবিষ্কার করেন তিনি। এই নিয়ে চরম উত্তেজনা শুরু হলে প্রতিবেশীরা পুলিশ খবর দেন। পুলিশ স্বামী-স্ত্রী এবং দুই যুবককে থানায় নিয়ে গিয়ে কথাবার্তা বলে মিটমাট করে। কিন্তু ঘরে ফিরতেই চরম বচসা শুরু হয়। শচীনের দাবি, ঝগড়ার মাঝখানে স্বেতা হুঁশিয়ারি দেয়, তাঁকে মেরে ফেললেও অন্য ছেলেদের সঙ্গে সম্পর্ক রাখবে। এর পরেই মেজাজ হারিয়ে স্বেতাকে গলা টিপে খুন করেন শচীন।

প্রাথমিক ভাবে পালিয়ে গেলেও পরে থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণের সিদ্ধান্ত নেন অভিযুক্ত। শচীনের বক্তব্য, “যার জন্য বাড়ি ছেড়েছিলাম, সে পর হয়ে গেল, এমনকী তাঁর অস্বিত্বই থাকল না। তাই থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেছি।” 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.