Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Kanpur

বিবাহিত প্রেমিকাকে ফিরে পেতে বশীকরণের আশ্রয়, তান্ত্রিকের খপ্পরে পড়ে মৃত্যু যুবকের!

খুন করে দেড় লক্ষ টাকা হাতিয়ে দেওয়ার অভিযোগ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১, ২০২৫, ১৫:৫১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১, ২০২৫, ১৫:৫১

options
link
বিবাহিত প্রেমিকাকে ফিরে পেতে বশীকরণের আশ্রয়, তান্ত্রিকের খপ্পরে পড়ে মৃত্যু যুবকের! zoom
গ্রেপ্তার অভিযুক্ত তান্ত্রিক।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: একতরফা প্রেমের ফাঁদে পড়ে করুণ পরিণতি যুবকের। বিবাহিত প্রেমিকাকে ফিরে পেতে তান্ত্রিকের খপ্পরে পড়ে মৃত্যু হল যুবকের। মৃত যুবক ২৬ বছর বয়সি রাজাবাবু। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা ঘটেছে কানপুরের দেহাত এলাকায়। প্রাথমিকভাবে এই ঘটনা আত্মহত্যা বলে মনে হলেও পুলিশি তদন্তে জানা গেল ওই যুবককে খুন করা হয়েছে। খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তান্ত্রিককে।

পুলিশের তরফে জানা গিয়েছে, গ্রামেরই এক তরুণীকে একতরফা ভাবে ভালবাসতেন রাজাবাবু। চলতি বছরের এপ্রিল মাসে তাঁর বিয়ে হয়ে যায়। এরপর প্রেমিকাকে ফিরে পেতে তান্ত্রিকের আশ্রয় নেন তিনি। নিলু নামে অভিযুক্ত তান্ত্রিক ওই যুবককে আশ্বস্ত করে বশীকরণের মাধ্যমে ওই তরুণীকে তাঁর কাছে ফিরিয়ে দেবেন। এই কাজের জন্য যুবকের কাছ থেকে প্রথমে ৩৬ হাজার টাকা নেয় অভিযুক্ত। এর কিছুদিন পরই সাংসারিক সমস্যার জেরে শ্বশুরবাড়ি থেকে বাপের বাড়ি ফিরে আসেন ওই তরুণী। যুবকের মনে বদ্ধমূল ধারনা হয় তন্ত্রক্রিয়ার জেরেই এই ঘটনা ঘটেছে। যদিও কিছুদিন পর অশান্তি মিটে যাওয়ায় ফের শ্বশুরবাড়িতে চলে যান তরুণী। এই অবস্থায় ফের ওই তান্ত্রিকের দ্বারস্থ হন রাজাবাবু।

Advertisement

পুলিশের দাবি অনুযায়ী, এবার ওই যুবকের কাছে ৬ লক্ষ টাকা দাবি করেন অভিযুক্ত তান্ত্রিক। পূজাপাঠের জন্য ২ লক্ষ টাকা চাওয়া হয়। ২৪ নভেম্বর সন্ধ্যায় রাজাবাবু ওই তান্ত্রিকের ডেরায় হাজিন হন। পথে মদ ও মিষ্টি কিনে একটি মাঠের মাঝে যান তাঁরা। প্রচুর মদ্যপানের পর দু’জনের মধ্যে কোনও বিষয় নিয়ে ঝগড়া হয়। এবং তা মারামারির পর্যায়ে পৌঁছয়। ওই পরিস্থিতিতে ছুরি দিয়ে কুপিয়ে রাজাবাবুকে খুন করে অভিযুক্ত। যুবকের মৃত্যুর পর এই খুনকে আত্মহত্যা হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করে অভিযুক্ত। দেহের পাশে একটি সুইসাইড নোট রেখে দেওয়া হয়।

অন্যদিকে, যুবকের ব্যাগে থাকা দেড় লক্ষ টাকা নিয়ে, তাঁর মোবাইল ও কাগজপত্র পুড়িয়ে ফেলে চম্পট দেয় অভিযুক্ত। দেহ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেতেই পুলিশ বুজতে পারে কেউ বা কারা ওই যুবককে খুন করেছে। সিসিটিভি ফুটেজ-সহ অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতে গত ৩০ নভেম্বর গ্রেপ্তার করা হয় অভিযুক্ত তান্ত্রিক নিলুকে। জেরায় অভিযুক্ত খুনের কথা স্বীকার করেছে। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি ও অন্যান্য সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.