Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
CAA কপিল সিব্বল

‘CAA কারও নাগরিকত্ব কাড়বে না’, রাজ্যসভায় স্বীকার কপিল সিব্বলের

বর্ষীয়ান আইনজীবীর স্বীকারোক্তির জেরে বিপাকে কংগ্রেস।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৩, ২০২০, ১৬:৩০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৩, ২০২০, ১৬:৩০

options
link
‘CAA  কারও নাগরিকত্ব কাড়বে না’, রাজ্যসভায় স্বীকার কপিল সিব্বলের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:  ‘CAA কারও নাগরিকত্ব কেড়ে নেবে না।’ রাজ্যসভায় দাঁড়িয়ে এ কথা মেনে নিলেন কংগ্রেসের প্রবীণ সাংসদ তথা বর্ষীয়ান আইনজীবী কপিল সিব্বল। বৃহস্পতিবার দিল্লির হিংসা নিয়ে রাজ্যসভায় বিবৃতি দিচ্ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সেইসময় তিনি অভিযোগ করেন, “রাজনৈতিক দলগুলি এক যোগে মেনে নিক CAA কারোর নাগরিকত্ব কেড়ে নেবে না। তাহলেই কোথাও কোনও দাঙ্গা হবে না।” এ প্রসঙ্গে তিনি কপিল সিব্বলের নাম টেনে আনেন। তারপরেই সংসদে দাঁড়িয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কথা কার্যত মেনে নেন কংগ্রেস সাংসদ। তাঁর এহেন আচরণে বিপাকে পড়েছে কংগ্রেস। সমালোচকদের প্রশ্ন, এতদিন তাহলে স্রেফ রাজনৈতিক স্বার্থে মানুষকে ভুল বুঝিয়েছে কংগ্রেস?

বৃহস্পতিবার রাজ্যসভায় দাঁড়িয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “কংগ্রেস নেতারা বারবার বলেছেন, CAA দেশের মুসলিমদের নাগরিকত্ব কেড়ে নেবে। আমি বলছি এটা ভুল তথ্য। আপনারা দেখিয়ে দিন এই আইনের কোন ধারায় নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার কথা বলা হয়েছে? কপিলজি আপনি তো বর্ষীয়ান আইনজীবী, আপনি বলুন এই আইনের কোন ধারায় নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার কথা বলা হয়েছে?” স্বভাবতই এরপর কপিল সিব্বল জবাব দেন। তিনি বলেন, “সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন কারোর নাগরিকত্ব কাড়বে এমন কথা আমরা বলিনি। আমরা বলেছি NPR-এর প্রশ্নের সঠিক জবাব না দিতে পারলে, দেশের নাগরিকদের সমস্যায় পড়তে হবে।”

Advertisement

[আরও পড়ুন : ‘করোনাকে কুপোকাত করতে পরিকল্পনা বানান’, সার্ক নেতাদের কাছে আরজি মোদির]

কপিল সিব্বলের প্রশ্নের জবাবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, কেউ NPR-এর প্রশ্নের জবাব না দিতে চাইলে কোনও অসুবিধা হবে না। আমি সংসদে দাঁড়িয়ে এই আশ্বাস দিচ্ছি।” তিনি আরও বলেন, ‘NPR-এর জন্য কাউকে কোনও কাগজপত্র জমা দিতে হবে না। পাশাপাশি এর মাধ্যমে কাউকে সন্দেহজনক বা ‘D(doubtful)’ ভোটারও ঘোষণা করা হবে না। আপনাদের কাছে যা তথ্য আছে তা দেবেন আর বাকি অংশ ফাঁকা রাখলেও হবে।’

[আরও পড়ুন : উঠল জনসুরক্ষা আইনের খাঁড়া, ৭ মাস পর মুক্তি পেলেন ফারুখ আবদুল্লা]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.