সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অভিযোগ ছিল এসআইআর চলাকালীন বিএলওদের এলাকায় এনে ভোটারদের নাম মুছে ফেলার কাজ করছেন তিনি। আর সেই অভিযোগেই বিজেপি নেত্রীকে গ্রেপ্তার করতে আসে পুলিশ। কিন্তু অভিযোগ, বাসে তোলার পর পোশাক খুলে তাঁকে মারধর করা হয়। বাসে থাকা পুরুষ পুলিশকর্মীদের সামনেই তাঁকে এভাবে হেনস্তা করা হয় বলে অভিযোগ।
ঠিক কী হয়েছিল? কর্নাটকের হুবলিতে ঘটনাটি ঘটেছে। এলাকার কেশওয়াপুর রানা অঞ্চলে এসআইআর আবহে বিজেপি ও কংগ্রেসের কর্মীদের মধ্যে আগে থেকেই টেনশন তৈরি হয়েছিল বলে জানা যাচ্ছে। সুজাতা নাম্নী ওই বিজেপি নেত্রীর বিরুদ্ধে কংগ্রেস কর্মী সুবর্ণা কালকুন্তলা আগেই অভিযোগ করেছিলেন তিনি এসআইআর-বিএলও কর্মীদের এনে ভোটারদের নাম মোছার কাজ চালাচ্ছেন। এই অভিযোগ পেয়ে পুলিশ সুজাতা ওরফে বিজয়লক্ষ্মী হান্ডিকে গ্রেপ্তার করে। আর তারপরই শুরু হয় সমস্যা।
পুলিশের দাবি, সুজাতাই গ্রেপ্তারিতে বাধা দেন। এবং নিজেই বাসে ওঠার পর পোশাক খুলে ফেলতে থাকেন। এলাকার পুলিশ কমিশনার শশী কুমার বলেছেন, ”স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে গোলমাল বেঁধে গিয়েছিল। বড় জনতা জড়ো হয়ে গিয়েছিল। শুরু হয় তুমুল বিতর্ক। এরপর মারামারি বেঁধে যায়। গ্রেপ্তারির পর উনি এবং ওঁর সঙ্গে থাকা লোকেরা পুলিশের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি করতে থাকেন। পুলিশকর্মীদের তাঁদের দায়িত্ব পালন করতে দেওয়া হয়নি। ওঁকে যখন বাসে তোলা হচ্ছিল তখনও ওঁর পরনে পোশাক ছিল। তোলার পরে উনি নিজেই পোশাক খুলে ফেলতে থাকেন এবং তা ছুড়ে ফেলেন!” সেই সঙ্গেই তাঁর দাবি, স্থানীয় বাসিন্দাদের সাহায্যে পুলিশ ফের ওঁকে পোশাক পরাতে সমর্থ হয়। পুলিশের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ একেবারে ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছেন তিনি।
এদিকে বিজেপি পুলিশের বিরুদ্ধে অভব্য আচরণের অভিযোগ তুলেছে। এই ঘটনাকে ‘অমানবিক’ এবং ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে তোপ দেগেছে পদ্ম শিবির। দাবি তোলা হয়েছে অভিযুক্ত পুলিশ কর্মীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করার।
সর্বশেষ খবর
-
বাপ কা বেটা! অবিকল শেহওয়াগের মতোই একের পর এক শট ছেলের, ভাইরাল ভিডিও
-
দাপুটে শাহজাহান এখন গুটিয়ে কেঁচো! ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেত্রীকে ‘ডিম থেরাপি’ জনতার
-
সম্পর্ক বাঁচাতে গিয়ে নিজের অস্তিত্বকে মুছে ফেলছেন না তো! বুঝবেন কীভাবে?
-
স্ত্রী, কন্যা-সহ ‘আত্মঘাতী’ অন্ধ্রের ইঞ্জিনিয়র, ধর্মান্তরণের ভয়? অভিযুক্ত শুটিং কোচ সাদিক খান
-
‘কমিউনিস্টরা দুর্গাপুজো শব্দটাই বাদ দিয়েছিল’, বামেদের শারদোৎসবের তীব্র বিরোধিতা দিলীপের