Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৭ আশ্বিন ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Karnataka Janeu

কর্নাটকে পরীক্ষার হলে জোর করে খোলানো হল পৈতে! কংগ্রেস সরকারকে ‘হিন্দু বিরোধী’ বলছে বিজেপি

পরীক্ষার হলে ঢোকার মুখে কানের দুল বা গয়না, এমনকী হাতের নোয়া খোলানো নতুন কিছু নয়। সেটার যৌক্তিক কারণও রয়েছে। কিন্তু এবার কর্নাটকে পরীক্ষাকেন্দ্রে ঢোকার মুখে পরীক্ষার্থীদের পৈতেও খুলতে বাধ্য করার অভিযোগ উঠল।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৫, ২০২৬, ১১:২৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৫, ২০২৬, ১১:২৬

options
link
কর্নাটকে পরীক্ষার হলে জোর করে খোলানো হল পৈতে! কংগ্রেস সরকারকে ‘হিন্দু বিরোধী’ বলছে বিজেপি zoom
প্রতীকী ছবি
Advertisement

পরীক্ষার হলে ঢোকার মুখে কানের দুল বা গয়না, এমনকী হাতের নোয়া খোলানো নতুন কিছু নয়। সেটার যৌক্তিক কারণও রয়েছে। কিন্তু এবার কর্নাটকে পরীক্ষাকেন্দ্রে ঢোকার মুখে পরীক্ষার্থীদের পৈতেও খুলতে বাধ্য করার অভিযোগ উঠল। পরীক্ষার্থীতে হাতে বাঁধা সুতোও খুলতে বলা হয়। বেঙ্গালুরুর একটি কলেজে কমন এন্ট্রান্স টেস্ট বা সিইটি পরীক্ষার প্রথম দিনে এমন ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ।

অভিযোগ, কর্নাটকের করমঙ্গলা কলেজের অধ্যাপকরা পাঁচজন ব্রাহ্মণ পড়ুয়াকে পৈতে খুলতে বাধ্য করেন। শুধু তাই নয়, অনেক পড়ুয়ার হাতে থাকা লাল-হলুদ পবিত্র সুতোও কেটে ফেলা হয়। পড়ুয়াদের প্রশ্ন, “কানের দুল খুলতে বলা হয়, সেটার কারণ আছে আমরা জানি। মেটাল বা ধাতু নিয়ে ঢোকা নিষেধ যায় না। কিন্তু কেন আমাকে পৈতে খুলতে বাধ্য করা হল, সেটা বুঝলাম না।” নিরুপায় হয়ে ওই পড়ুয়ারা বাধ্য হন পৈতে খুলতে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এই ঘটনার কথা জানাজানি হতেই পরীক্ষাকেন্দ্রে ভিড় জমান অভিভাবকরা। তাঁদের দাবি, পৈতে খোলার বিষয়ে কোনও সরকারি নির্দেশিকা ছিল না। গত বছরও এই ধরনের বিতর্ক হয়। সেসময় সরকার নির্দেশিকা দিয়ে জানিয়ে দেয়, পরীক্ষার হলে উপবীত বা পৈতে খোলানোর কোনও প্রয়োজন নেই। সেই অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। অভিযুক্ত তিন অধ্যাপককে সাসপেন্ড করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, তাঁদের বিরুদ্ধে সম্প্রীতি নষ্টের চেষ্টার দায়ে অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে।

যদিও এই ঘটনায় রাজনৈতিক দায় গিয়ে পড়ছে সেই কংগ্রেসের উপরই। কর্নাটকের কংগ্রেস সরকারকে ‘হিন্দু-বিরোধী’ বলে আক্রমণ শানিয়েছে বিজেপি। বিধানসভার বিরোধী দলনেতা আর অশোক এই ইস্যুতে সরকারকে কাঠগড়ায় তুলেছেন। পালটা কর্নাটকের উচ্চশিক্ষামন্ত্রী এমসি সুধাকর এই ঘটনাকে ‘দুর্ভাগ্যজনক’ বলে বর্ণনা করেছেন। একই সঙ্গে দোষীদের কড়া শাস্তির আশ্বাস দিয়েছেন।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.