BREAKING NEWS

২ আশ্বিন  ১৪২৭  রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

অবশেষে কর্ণি সেনার উপর খড়্গহস্ত প্রশাসন, গ্রেপ্তার শীর্ষ নেতা আমু

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: January 25, 2018 12:08 pm|    Updated: January 25, 2018 12:12 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দিকে দিকে তাণ্ডব। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশকেও তোয়াক্কা নেই। দেশের প্রায় সর্বত্র ‘পদ্মাবত’ মুক্তি নিয়ে তাণ্ডব চালাচ্ছিল কর্ণি সেনা। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পুলিশ মোতায়েন হয়েছে অশান্ত জায়গায়। কিন্তু কর্ণি সেনার বিরুদ্ধে প্রশাসন কেন কোনও কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে না, সে প্রশ্ন উঠেছিল। অবশেষে নড়েচড়ে বসল প্রশাসন। কর্ণি সেনার শীর্ষ নেতা সূরজ পাল আমুকে গ্রেপ্তার করল গুরুগ্রাম পুলিশ।

প্রতিবাদের আগুনেও রাজপুত শৌর্যের গাথাই তুলে ধরল ‘পদ্মাবত’ ]

‘পদ্মাবত’ নিয়ে গোড়া থেকেই বিরোধিতায় সরব ছিলেন এই প্রাক্তন বিজেপি নেতা। দীপিকার নাক কাটার হুমকি দিয়েছিলেন তিনিই। এমনকী নিজের রাজ্যে ‘পদ্মাবত’কে স্বাগত জানানোয় বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও ছেড়ে কথা বলেননি আমু। ঘুরিয়ে তাঁর অবস্থা শূর্পনখার মতো করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছিলেন। বরাবর বিক্ষোভে ইন্ধন দিয়েছেন তিনি। কট্টর হিন্দুত্ববাদী মত ছড়িয়ে সমর্থকদের ভাঙচুরে প্ররোচিত করেছেন। কিন্তু এতদিনেও তাঁর বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। সুপ্রিম নির্দেশকেও যে আমু অমান্য করবেন তা স্পষ্টই জানিয়েছিলেন। জানিয়েছিলেন, ক্ষত্রিয় সমাজ কখনওই এ জিনিস মেনে নেবে না। তাই সুপ্রিম রায় থাকা সত্ত্বেও বিরোধিতা চলবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন আমু। কার্যত হয়েওছে তাই। গতকাল থেকেই বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে বিজেপি শাসিত চার রাজ্য। এবং তা যে কতটা ভয়াবহ দিকে মোড় নিতে পারে সে ছবি উঠে এসেছে গুরুগ্রামেই। একটি স্কুল বাসের উপর চড়াও হয় কর্ণি সেনা। ঝাঁকে ঝাঁকে পাথর ছোড়া হয় বাসের দিকে। আক্রান্ত হয় শিশুরা। শিল্প ও শিল্পীর স্বাধীনতা তো অনেক পরের কথা, সামান্য একটা সিনেমাকে নিয়ে যেভাবে কর্ণি সেনা প্রকাশ্যে হিংসা ছড়াচ্ছিল তা কোনও সভ্য দেশের পরিচয় হতে পারে না। তা সত্ত্বেও এই নেতাদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছিল না। এমনকী আজও ক্ষত্রিয় মহাসভার নেতা গজেন্দ্র সিং দীপিকার নাক কাটার হুমকি দিয়েছেন।

এরপরই নড়েচড়ে বসল প্রশাসন। কর্ণি সেনার অন্যতম শীর্ষ নেতা আমুকে নজরবন্দি করে গ্রেপ্তার করা হল। এই গ্রেপ্তারি কালভি-সহ অন্যান্য নেতাদের প্রতি একটি বার্তাও বটে। সুপ্রিম নির্দেশ অমান্য করে হিংসা ছড়িয়ে যে কেউ দেশপ্রেমিক হতে পারে না, আইন যে আইনের পথেই চলবে, তা যেন বুঝিয়ে দেওয়া হল। এতে কি কর্ণি সেনার তাণ্ডব কমবে? আপাতত সেদিকেই তাকিয়ে দেশবাসী।

আত্মঘাতী কর্ণি সেনা, ‘পদ্মাবত’ আটকাতে নিজেদের সমর্থকদেরই গাড়িতে আগুন ]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement