Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Uttar Pradesh

বিয়ে বাড়িতে একাধিক রসগোল্লা খাওয়ার ‘অপরাধ’, ১১ বছরের বালককে উনুনে ছুড়ে ফেলল ক্যাটারিং কর্মী!

অগ্নিদগ্ধ দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রটি আর্তনাদ করে উঠল ছুটে আসেন অনেকে। তারাই বালককে উদ্ধার করে অযোধ্যা মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করে। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় সেখানকার চিকিৎসকরা তাকে লখনউ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৭, ২০২৬, ১৭:৩০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৭, ২০২৬, ১৭:৩০

options
link
বিয়ে বাড়িতে একাধিক রসগোল্লা খাওয়ার ‘অপরাধ’, ১১ বছরের বালককে উনুনে ছুড়ে ফেলল ক্যাটারিং কর্মী! zoom
ঘটনাটি গত বুধবার ঘটে উত্তরপ্রদেশের বাস্তি জেলার একটি গ্রামে।

দিদার সঙ্গে আত্মীয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে এসেছিল ১১ বছরের চমন। ভালোবেসে বেশি করে রসগোল্লা খেয়েছিল সে। এই অপরাধে তাকে উনুনে ছুড়ে ফেলে দিলেন ক্যাটারিং কর্মী এক যুবক! দাউদাউ আগুন ধরে যায় বালকের শরীরে। আর্তনাদ শুনে ঘটনাস্থলে উপস্থিত অন্যরা তাকে উদ্ধার করে। তড়িঘড়ি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে বালক।

ঘটনাটি গত বুধবার ঘটে উত্তরপ্রদেশের বাস্তি জেলার একটি গ্রামে। আশঙ্কাজনক চমনকে লখনউ মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসাধীন। গ্রামেই এক আত্মীয়ের বিয়েতে গিয়েছিল সে। সঙ্গে ছিলেন দিদা। খাবারের জায়গায় গিয়ে একধিক রসগোল্লা খায় সে। যা পছন্দ হয়নি এক ক্যাটারিং কর্মীর। অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রথমে শিশুটিকে ধরে হুমকি দেয়। তারপর তাকে একটি জ্বলন্ত তন্দুরের কাছে নিয়ে যায়। অভিযোগ, এক সময় রাগের মাথায় ওই উনুনের মধ্যে বালককে ছুড়ে ফেলে যুবক।

Advertisement

অগ্নিদগ্ধ দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রটি আর্তনাদ করে উঠল ছুটে আসেন অনেকে। তারাই বালককে উদ্ধার করে অযোধ্যা মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করে। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় সেখানকার চিকিৎসকরা তাকে লখনউ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করে। বর্তমানে সেখানেই চিকিৎসা চলছে বালকের। এদিকে ঘটনার পরেই ওই বিয়ে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যান অভিযুক্ত। তাঁর খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.