Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Kerala

ভোট না দিলে কাটা যাবে নাম! চড়া ভাড়া গুনেও কেরল থেকে বাংলায় ফিরছেন পরিযায়ীরা

এসআইআরের প্রক্রিয়া শেষে ভোটার তালিকায় নাম ওঠার পর অনেকেই চাইছেন এবারের ভোটটা দিতে। কারণে সকলের মধ্যেই ভয় রয়েছে, এবার ভোটটা না দিলে তালিকা থেকে নাম বাদ চলে যেতে পারে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২১, ২০২৬, ১৫:৪৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২১, ২০২৬, ১৫:৪৬

options
link
ভোট না দিলে কাটা যাবে নাম! চড়া ভাড়া গুনেও কেরল থেকে বাংলায় ফিরছেন পরিযায়ীরা zoom
ফাইল ছবি।

২১ বছর পর রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। সেই কারণে এবছরের রাজ্য বিধানসভা নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এসআইআরের প্রক্রিয়া শেষে ভোটার তালিকায় নাম ওঠার পর অনেকেই চাইছেন এবারের ভোটটা দিতে। কারণে সকলের মধ্যেই ভয় রয়েছে, এবার ভোটটা না দিলে তালিকা থেকে নাম বাদ চলে যেতে পারে। তাই বিভিন্ন রাজ্যে কর্মরত পরিযায়ী শ্রমিকরা দলে দলে ভোট দিতে বাংলায় আসছেন। সেই কারণে ভোটের সময় চাপ বাড়ছে ট্রেনে। ট্রেনের টিকিট না পেয়ে এবার বাসে করে রাজ্যে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কেরলে কর্মরত বাংলার ভোটাররা। শেষ মুহূর্তে বেসরকারি বাস পরিষেবার উপর ভরসা রাখছেন তাঁরা।

তিরুঅনন্তপুরম থেকে বাংলাগামী কোনও ট্রেনেই আর টিকিট পাওয়া যাচ্ছে না। যেসব শ্রমিক আগে থেকে টিকিট কেটেছিলেন, তাঁরাই শুধুমাত্র ট্রেনে চেপে আসতে পারছেন। এই রুটে ছয়টি ট্রেনের মধ্যে রয়েছে শালিমার সুপার ফাস্ট এক্সপ্রেস (বৃহস্পতিবার ও শনিবার), ডিব্রুগড় বিবেক এক্সপ্রেস (প্রতিদিন), টিভিসি এসসিএল এক্সপ্রেস (মঙ্গলবার), গুরুদেব সুপারফাস্ট এক্সপ্রেস (রবিবার), সিবিই এসসিএল সুপারফাস্ট এক্সপ্রেস (রবিবার) এবং অরোনাই এক্সপ্রেস (মঙ্গলবার)।

Advertisement

টিকিট না পেয়ে অনেক শ্রমিক প্রথমে ভোট না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। কিন্তু এই ভোটের গুরুত্ব বুঝে বেসরকারি বাস পরিষেবার উপর ভরসা রাখছেন পরিযায়ী শ্রমিকরা। ইতিমধ্যেই এর্নাকুলাম জেলার পেরুম্বাভুর, কোথামঙ্গলম এবং মুভাট্টুপুঝা এলাকা থেকে কয়েকটি বাস বাংলার উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। শ্রমিকরা ভোট দেওয়ার পর ফের ওই বাসে চেপেই কেরলে ফিরে যাবেন। এই বাসযাত্রার জন্য প্রত্যেক শ্রমিককে গুণতে হচ্ছে ৪ হাজার থেকে ৬ হাজার টাকা। জানা গিয়েছে, নন-এসি বাসে ভাড়া ৪ হাজার টাকা, এসি বাসে ৫ হাজার টাকা এবং স্লিপার বাসে ৬ হাজার টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। প্রত্যেক বাসে দুই জন করে চালক রয়েছেন।

এক বাস অপারেটর জানিয়েছেন, ইদ ও দুর্গাপুজোর সময় বহু বছর ধরেই তিনি কোচবিহার, মুর্শিদাবাদ, মালদা এবং শিলিগুড়িতে বাস চালান। এবার ভোটের কারণে শ্রমিকদের অনুরোধে ১০০-র বেশি বাস চালানো হয়েছে। তবে এই পরিষেবা চালাতে গিয়ে সমস্যার মুখেও পড়তে হচ্ছে বাস মালিকদের। অভিযোগ, বাংলা-ওড়িশা সীমান্তে প্রতি ট্রিপে ৫ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হচ্ছে। সেই কারণে তাঁদের লাভ কম হচ্ছে। এছাড়া শ্রমিকদের ফেরত আনার জন্য বাংলায় প্রায় ১০ দিন অপেক্ষা করতে হচ্ছে বাসগুলিকে। বিভিন্ন রাজ্য থেকে দলে দলে পরিযায়ী শ্রমিকরা ভোট দিতে আসায় এবার বাংলায় ভোটদানের পরিমাণ বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.