BREAKING NEWS

২ আশ্বিন  ১৪২৭  শনিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

স্বাধীনতা দিবসের আগে পাঞ্জাবের সরকারি দপ্তরে খলিস্তানের পতাকা! অস্বস্তিতে সরকার

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: August 15, 2020 1:56 pm|    Updated: August 15, 2020 1:56 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: স্বাধীনতা দিবসের আগের দিনই পাঞ্জাবের মোগার সরকারি অফিসে উড়ল খলিস্তানপন্থী পতাকা। যার জেরে চরম অস্বস্তিতে পাঞ্জাবের কংগ্রেস সরকার। মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং দুষ্কৃতীদের কড়া হাতে দমন করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রের খবর, শুক্রবার স্বাধীনতা দিবসের একদিন আগে মোগার ওই সরকারি অফিসে ঢুকে পড়ে দুই খলিস্তানপন্থী (Khalistan) যুবক। কোনওক্রমে বিল্ডিংয়ের চারতলার ছাদে গিয়ে সেখান থেকে তেরঙ্গা সরিয়ে খলিস্তানি পতাকা লাগিয়ে দেয় তাঁরা। এরপর কেউ টের পাওয়ার আগেই ওই বিল্ডিং ছেড়ে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে খলিস্তানি পতাকাটিকে বাজেয়াপ্তো করে এবং ওই বিল্ডিংয়ে ফের তেরঙ্গা উত্তোলন করা হয়। কিন্তু সরকারি দপ্তরে এভাবে বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনের পতাকার আগমন পাঞ্জাব সরকারকে অস্বস্তিতে ফেলেছে। তড়িঘড়ি এই ঘটনার সঙ্গে যুক্তদের গ্রেপ্তারির নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং (Amarinder Singh)। তিনি সাফ জানিয়েছেন, দোষীরা ছাড় পাবে না। পাঞ্জাবে কোনওরকম দেশবিরোধী কার্যকলাপ তাঁর সরকার বরদাস্ত করবে না। দোষীদের গ্রেপ্তারির তোড়জোড় শুরু করেছে পাঞ্জাব পুলিশও। এদের সন্ধান দিতে পারলেই ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে পুলিশের তরফে।

[আরও পড়ুন: ২০১৫ সালেই নাগা সার্বভৌমত্বে সম্মতি দিয়েছে কেন্দ্র, বিস্ফোরক দাবি বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতার]

উল্লেখ্য, ১৯৮৪ সালের জুন মাসে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দ্রিরা গান্ধীর সময় স্বর্ণমন্দিরে বব্বর খালসা জঙ্গিদের বের করতে ব্লু স্টার অভিযান চালিয়েছিল সেনাবাহিনী৷ ওই অভিযানে ভারতীয় সেনাবাহিনী ও খলিস্তানি জঙ্গিদের মধ্যে চলে তুমুল গুলির লড়াই৷ সেনার গুলিতে মৃত্যু হয় বহু জঙ্গির৷ যার জেরে আজও ভারত সরকারের প্রতি ক্ষোভ রয়েছে শিখ সম্প্রদায়ের একাংশের মনে। সম্প্রতি পাঞ্জাবে ফের মাথা চাড়া দিয়ে উঠছে খলিস্তানি আন্দোলন। পুলিশের জালে পড়েছে ‘বব্বর খালসা’ জঙ্গি সংগঠনের একাধিক সদস্য। অভিযোগ, তাদের অর্থের জোগান আসছিল কানাডা থেকেই। আমেরিকার খলিস্তানপন্থী সংগঠন ‘শিখস ফর জাস্টিস’ (SFJ)ও পাঞ্জাবে প্রভাব বাড়ানোর চেষ্টা করছে। যদিও মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিং ওই সংগঠনটির উদ্দেশ্যে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, পাঞ্জাবে ঢোকার চেষ্টা করলে তাঁদের উচিত শিক্ষা দেওয়া হবে। পাশাপাশি, পাঞ্জাবের যুব সম্প্রদায়কেও তিনি বিভ্রান্ত না হতে অনুরোধ করেছেন।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement