সংবাদ প্র্তিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আইসোলেশ ওয়ার্ডে (Isolation Ward) ভীষণ গরম। তাই বাড়ি থেকে কুলার নিয়ে গিয়েছিলেন রোগীর পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু কি মুশকিল! কুলারের প্লাগ লাগানোর জায়গা কই! একটা মাত্র প্লাগপয়েন্ট, তাতেও কী যেন একটা প্লাগ-ইন করা। সেই প্লাগ খুলে কুলার চালিয়েছিলেন রোগীর পরিবারের সদস্যরা। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই ওই ওয়ার্ডে থাকা রোগীর মৃত্যু হল। কারণ, ভেন্টিলেটরের (Ventilator) প্লাগ খুলে চালানো হয়েছিল কুলার। রাজস্থানের কোটার (Kota) সরকারি হাসপাতালে এমন ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ৷
জানা গিয়েছে গত ১৩ জুন করোনার উপসর্গ নিয়ে চল্লিশ বছরের ওই ব্যক্তিকে মহারাও ভীম সিং হাসপাতালে ভরতি করা হয়। তাঁকে আইসিইউ-তে রাখা হয়েছিল। কিন্তু তাঁর করোনা (Covid-19) পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। এরপর ওই ওয়ার্ডে গত ১৫ তারিখ অন্য একজন করোনা সংক্রমিত হন। ফলে ওই রোগীকে আইসোলেশন ওয়ার্ডে পাঠানো হয়।
[আরও পড়ুন : কমছে বেতন, কাজের দিনও, লকডাউন পরবর্তীতে কর্মীদের জন্য নতুন শর্ত এয়ার ইন্ডিয়ার]
নতুন ওয়ার্ডে খুব গরম থাকায় রোগীর পরিজনরাই একটি কুলার নিয়ে আসেন অভিযোগ, কুলার চালানোর জন্য কোনও বৈদ্যুতিন পয়েন্ট বা সকেট না পেয়ে রোগীর আত্মীয়রা ভেন্টিলেটরের প্লাগটিই খুলে নেন। এবং সেখানে কুলারের প্লাগ লাগিয়ে দেন। এর আধ ঘণ্টার মধ্যেই ভেন্টিলেটর কাজ করা বন্ধ করে দেয়। সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকদের জানানো হয়। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। কিন্তু রোগীর পরিবারের সদস্যরা সহযোগিতা করছেন না। তাঁদের প্রশ্ন করলেও জবাব মিলছে না। অভিযোগ, অনুমতি না নিয়েই তাঁরা হাসপাতালে কুলার আনেন। এদিকে রোগীর মৃত্যুর পর তাঁরাই চিকিৎসক এবং হাসপাতালের কর্মীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন বলেও খবর।
[আরও পড়ুন : আকাশ থেকে তীব্র গতিতে এসে পড়ল ধাতব চাঁই, বিকট শব্দে কাঁপল এলাকা]
সর্বশেষ খবর
-
ঝড়ের তাণ্ডবে বেসামাল ডিঙি, ভাগীরথীতে তলিয়ে মৃত্যু মহিলার
-
‘পনেরো জন তালিবান, আমি একা মেয়ে!’ আফগানিস্তানের সোলো ট্রিপে আশ্চর্য অভিজ্ঞতা ইনফ্লুয়েন্সারের
-
এআই দিয়ে মায়ের ছবি বিকৃত করে ব্ল্যাকমেল! অন্ডালে রহস্যমৃত্যু কিশোরের
-
যুদ্ধ থামাতে ট্রাম্পের দ্বারস্থ জেলেনস্কি, তার মধ্যেই মস্কোর তৈল শোধনাগার উড়িয়ে দিল ইউক্রেন
-
শকুন্তলাকে স্পেশাল হোমগার্ডের চাকরি দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু রাজ্যের, সুদিন ফেরার আশায় পরিবার