Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১২ জুন ২০২৬
শেরিং নামগিয়াল

‘সত্যিই ভারতের ভূখণ্ড দখল করেছে চিন, তবে…’, রাহুলকে জবাব লাদাখের বিজেপি সাংসদের

লাদাখ ইস্যুতে নীরব মোদি-অমিত, মুখ খুলেই ফের শিরোনামে তরুণ সাংসদ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১০, ২০২০, ১৪:১৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১০, ২০২০, ১৪:১৮

options
link
‘সত্যিই ভারতের ভূখণ্ড দখল করেছে চিন, তবে…’, রাহুলকে জবাব লাদাখের বিজেপি সাংসদের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: চিনা সেনা কি ভারতীয় ভূখণ্ড দখল করে নিয়েছে? কখনও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, কখনও প্রতিরক্ষামন্ত্রী, আবার কখনও খোদ প্রধানমন্ত্রীকে এই প্রশ্নটি করে ‘বিব্রত’ করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। কিন্তু রাহুলের এই প্রশ্নের উত্তর এখনও কেউই দেননি। বস্তুত, নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) থেকে শুরু করে অমিত শাহ, রাজনাথ সিং এবং বিজেপি তথা সরকারের শীর্ষস্থানীয় সকলেই লাদাখ ইস্যুতে নীরব। ব্যতিক্রম শুধু একজন। যে লাদাখকে ঘিরে এত আলোড়ন, তিনি সেই লাদাখেরই সাংসদ। শেরিং নামগিয়াল (Jamyang Tsering Namgyal), সংসদের প্রথম বক্তৃতাতেই যিনি রীতিমতো শিরোনামে চলে এসেছিলেন, সেই তরুণ বিজেপি সাংসদই এবার রাহুলকে জবাব দিলেন।

[আরও পড়ুন: ‘চিন ভারতের ভূখণ্ড দখল করে নিল, অথচ প্রধানমন্ত্রী নীরব’, লাদাখ ইস্যুতে তোপ রাহুলের]

রাহুল প্রশ্ন করেছিলেন, চিনা সেনা কি ভারতীয় ভূখণ্ড দখল করে নিয়েছে? খানিকটা মস্করার সুরে সেই প্রশ্নের উত্তর দিয়ে লাদাখের সাংসদ বলছেন, “হ্যাঁ, সত্যিই ভারতের বহু এলাকা চিন দখল করে নিয়েছে। সেগুলি হল…” এরপরই কংগ্রেস আমলে চিন সীমান্ত নিয়ে যতবার বিতর্ক হয়েছে, এবং চিনের বিরুদ্ধে যতবার ভারতীয় ভূখণ্ড দখল করে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে, সেই সব ঘটনার একটি লম্বা তালিকা তৈরি করে দিয়েছেন নামগিয়াল। তাঁর তালিকায় ৬২’র আকসাই চিন দখল থেকে শুরু করে ২০১২ সালের জোরাওয়ার দুর্গ ভাঙা পর্যন্ত, সব ঘটনা জায়গা পেয়েছে। আসলে নামগিয়াল বোঝাতে চেয়েছেন, লাদাখ সীমান্তে এখনকার যা পরিস্থিতি, তার চেয়ে অনেক খারাপ পরিস্থিতি ছিল কংগ্রেস আমলে।

 

[আরও পড়ুন: গলছে বরফ! সেনা পিছনোর পর লাদাখ ইস্যুতে ফের বৈঠকে বসছে ভারত ও চিন]

নামগিয়াল কংগ্রেসের ব্যর্থতার যে তালিকা দিয়েছেন সেটিতে জায়গা পেয়েছে, ১৯৬২ সালে আকসাই চিন দখল। ২০০৮ সালে টিয়া প্যাংনাক এবং চাবজি উপত্যকা দখল। ২০০৮-০৯ সালে ইউপিএ জমানাতে ডেমজোকের মাঝের প্রাচীন বাণিজ্যকেন্দ্র ‘ডুম চেলে’দখল এবং ২০১২ সালে ডেমজোক এলাকায় জোরাওয়ার দুর্গ ভেঙে দেওয়া। এই সব ঘটনা ঘটেছে ইউপিএ জমানাতেই। বিজেপি সাংসদের দাবি, কংগ্রেসের ব্যর্থতার জন্যই লাদাখে এতকিছু হারিয়েছে ভারত। এই ইতিহাসভিত্তিক তথ্যের পাশাপাশি একটি ম্যাপের ছবি শেয়ার করেছেন নামগিয়াল, যাতে পয়েন্ট করে এই সব জায়গা দেখানো হয়েছে। নিজের টুইটে বিজেপি নেতা এও লিখছেন, আশা করি আমার দেওয়া তথ্য প্রমাণের সঙ্গে রাহুল গান্ধী এবং কংগ্রেস একমত হবে। এবং দেশবাসীকে ভুল পথে চালনা করা বন্ধ করবে। যদিও পুরো টুইটটিতে বর্তমানে চিন ভারতের কোনও অংশ দখল করে রেখেছে কিনা, সেসব নিয়ে একটা শব্দও খরচ করেননি লাদাখের সাংসদ। তিনি শুধু কংগ্রেসের ব্যর্থতাই তুলে ধরেছেন। ওয়াকিবহাল মহলের প্রশ্ন, তবে কি নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতেই পুরনো কাসুন্দি ঘাটছে গেরুয়া শিবির?

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.