২ কার্তিক  ১৪২৬  রবিবার ২০ অক্টোবর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ঝুলন্ত সেতুর স্বাস্থ্য বিশেষ সুবিধার নয়, মজবুত করতে হবে৷ তাই প্রশাসনিক নির্দেশে আপাতত উত্তরাখণ্ডের সুবিখ্যাত দর্শনীয় স্থান লছমন ঝুলা বন্ধ করে দেওয়া হল৷ এই সেতুর উপর দিয়ে যাতায়াত করতে পারবেন না কেউই৷  শুক্রবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হল ঝুলন্ত সেতুটি৷আর প্রশাসনের নির্দেশ কার্যকর হতেই হতাশ পর্যটকরা৷ 

[ আরও পড়ুন: ‘ভাবনা বদলাও‘, দলিতকে বিয়ের পর বিজেপি বিধায়ক বাবাকে পরামর্শ মেয়ের]

গঙ্গার উপর ঝুলন্ত লছমন ঝুলার মাহাত্ম্য তো বটেই, জনপ্রিয়তাও তুমুল। কথিত রয়েছে, যেখানে সেতুটি রয়েছে ঠিক সেখান দিয়েই রামের ভাই লক্ষ্মণ গঙ্গা পার করেছিলেন। সেই অনুযায়ী ১৯২৩ সালে গঙ্গার উপর লছমন ঝুলা তৈরি করা হয়েছিল। উত্তরাখণ্ডে তেহরি জেলার দুটি গ্রামের মধ্যে সেতুবন্ধন করে লছমন ঝুলা৷ গঙ্গার উপর দিয়ে প্রায় ৫ কিলোমিটার লম্বা একটি সেতু৷ এই ৯৬ বছর ধরে অগণিত পুণ্যার্থী, পর্যটক এই সেতুর উপর দিয়ে যাতায়াত করেছেন। হরিদ্বারের সঙ্গে লছমন ঝুলা অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত৷ বেশিরভাগ মানুষ পুণ্যের আশায় লছমন ঝুলায় যান৷ হিন্দু তীর্থস্থানগুলির অন্যতম লছমন ঝুলা। তার গা বেয়ে বয়ে গেছে স্রোতস্বিনী গঙ্গা। তাই হরিদ্বারে বেড়াতে এলে লছমন ঝুলা দেখেন না এমন মানুষ খুব কমই রয়েছেন৷ বিশেষজ্ঞদের নির্দেশে সেই ঐতিহ্যবাহী সেতুই আপাতত বন্ধ থাকবে৷ শুক্রবার থেকেই কার্যকরী নির্দেশিকা৷

বিশেষজ্ঞরা লছমন ঝুলার স্বাস্থ্যপরীক্ষা করেন৷ শোনা যাচ্ছে,  তাতেই ফেল করেছে লছমন ঝুলা৷ প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, লছমন ঝুলার অবস্থা এত খারাপ যে তা সাধারণ মানুষের হেঁটে যাওয়ার জন্য নিরাপদ নয়৷ যে কোনও সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। ক্ষতি হতে পারে সাধারণ মানুষের৷ তাই দুর্ঘটনা রুখতে আগাম বন্দোবস্ত নেওয়া হয়েছে৷ খুব শীঘ্রই মেরামতির কাজ শুরু হবে বলেও জানানো হয়েছে৷ তবে কবে থেকে আবারও লছমন ঝুলা খুলবে, সেই অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন হতাশ পর্যটকরা৷ 

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং