Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ১২ জুলাই ২০২৬

‘খারাপ সময়’ কাটাতে বাস্তু ও তন্ত্রের দ্বারস্থ লালুর ছেলে

একের পর এক কেলেঙ্কারিতে নাম জড়িয়েছে যাদব পরিবারের। তা থেকে মুক্তি পেতেই এই পদক্ষেপ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৩, ২০১৭, ০৬:০৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৩, ২০১৭, ০৬:০৪

options
link
‘খারাপ সময়’ কাটাতে বাস্তু ও তন্ত্রের দ্বারস্থ লালুর ছেলে zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সময়টা একেবারেই ভালো যাচ্ছে না যাদবকুলপতি লালুপ্রসাদের। বেনামি সম্পত্তি মামলায় নাম জড়িয়ে পড়ায় এখন রীতিমতো বিপাকে তাঁর গোটা পরিবার। আর এই খারাপ সময় কাটাতেই এবার তন্ত্র ও বাস্তুর আশ্রয় নিলেন লালুপ্রসাদ যাদবের বড় ছেলে ও বিহারের স্বাস্থ্যমন্ত্রী তেজপ্রতাপ যাদব। প্রসঙ্গত, বেনামি সম্পত্তি মামলায় লালু প্রসাদ ও তাঁর মেয়ে মিশা ভারতীর বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু হয়েছে। চলতি সপ্তাহেই পাটনাতে একটি পেট্রল পাম্পকে অনুমোদন দেওয়া নিয়ে লালুর বড় ছেলে তেজপ্রতাপকেও শো-কজ নোটিস পাঠিয়েছে বিপিসিএল।

[ওড়িশায় এনকাউন্টারে হত নকশাল কমান্ডার]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

পাটনায় ১০ নম্বর সার্কুলার রোডে লালুপ্রসাদের বাড়িতে থাকেন তাঁর দুই ছেলে তেজপ্রতাপ ও তেজস্বীপ্রসাদ। তবে পাটনার দেশরত্ন মার্গে লালুর বড় ছেলে ও বিহারের স্বাস্থ্যমন্ত্রী তেজপ্রতাপের একটি বাংলো আছে। ব্যক্তিগত কারণে মাঝেমধ্যেই সেই বাংলোতে যান তেজপ্রতাপ। কখন কখনও আরজেডির যুবনেতাদের সঙ্গে এই বাংলোতে বৈঠকও করেন তিনি। জানা যাচ্ছে, সপ্তাহ দুয়েক আগে এক বাস্তু বিশারদের পরামর্শে বাংলোর দক্ষিণমুখী দরজাটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আপাতত উত্তরদিকের একটি দরজা দিয়ে বাংলোয় যাতায়াত করছেন তেজপ্রতাপ। শুধু তাই নয়, গত কয়েকদিন ধরে তেজপ্রতাপের বাংলোতে এক পুরোহিতকেও আসতে দেখা যাচ্ছে। তাঁর পরামর্শে বাংলোতে চলছে ‘দুশমন মারণ জাপ’। প্রতিদিন সন্ধ্যাবেলায় রীতিমতো লালবসন পরে ঘণ্টা তিনেক মন্ত্রপাঠ করছেন তেজপ্রতাপ। ডান হাতে ও গলায় রুদ্রাক্ষের মালাও ধারণ করেছেন।

[‘ভারত-চিন সীমান্ত সমস্যা সত্ত্বেও একটিও গুলি চলেনি গত ৪০ বছরে’]

প্রসঙ্গত, ১৯৯০ সালে আরজে়ডি সমর্থকদের পুঁথিপত্র পুড়িযে ফেলতে বলেছিলেন লালুপ্রসাদ যাদব। ২০১৪ সালে আবার এক বাস্তু বিশারদের পরামর্শে ১০  নম্বর সার্কুলার রোডের বাড়িতে কাদা ও বালি দিয়ে ভরিয়ে তুলেছিলেন লালু ও তাঁর স্ত্রী রাবড়ি। শোনা যায়, ১৯৯৫  সালে বিহারে বিধানসভা ভোটে হারের পর আরাধ্য দেবতা পাগলাবাবার পরামর্শে নিজের বাড়িতে ‘বগলামুখি জপ’ করতে শুরু করেছিলেন লালু।

[‘পরিষ্কার’ হতে যোগীকে ১৬ ফুট লম্বা সাবান পাঠাচ্ছেন দলিতরা]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.